এতটা লম্বা সময় কখনও দলের বাইরে থাকেননি। দল যেমন তার অভাব অনুভব করছে, সাকিবও অনুভব করছেন ফেরার তাড়না। আঙুলের ব্যথা কমাতে মেলবোর্ন থেকে ইনজেকশন নিয়ে দেশে ফিরেছেন রোববার। সোমবার মিরপুরের ইনডোরে ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ের চেষ্টা করতে দেখা গেছে তাকে।
সাকিব ইনজুরিতে পড়েছিলেন গত ২৭ জানুয়ারি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে। এরপর কেটে গেছে দেড় মাস। বাঁ-হাতের কনিষ্ঠায় সেলাই পড়ে ১০টি। আঙুলের গোড়ালিও যায় মচকে।
এদিন নেটে স্বাচ্ছন্দ্য নিয়েই ব্যাটিং করেছেন সাকিব। বল হাতে অবশ্য অতটা স্বাচ্ছন্দ্যে দেখা যায়নি বাঁহাতি স্পিনারকে। শুরুতে আস্তে ছুড়লেও পরে স্বাভাবিক গতিতে বল করার চেষ্টা করেন। খানিকক্ষণ করেছেন ক্যাচিং অনুশীলনও।
চোটে পড়ার পর সোমবারই প্রথম সব ধরনের অনুশীলন করলেন সাকিব। তাতে সন্তুষ্টি ঝরেছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের কণ্ঠে। ইনডোর থেকে বের হয়ে ঘাম মুছতে মুছতে বললেন, ‘সব কিছু ঠিকঠাক আগাচ্ছে। ব্যাটিং-বোলিং করতে পারায় ভাল লাগছে।’

সাকিব অনুশীলনে নামার আগে বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘স্পোর্টস অ্যাকটিভিটিতে ফেরা আর ম্যাচ ফিটনেসের মধ্যে পার্থক্য আছে। ম্যাচ ফিটনেসের জন্য আরেকটু সময় নিতে হবে। কেননা মনস্তাত্ত্বিক একটা ব্যাপার কিন্তু থেকেই যায়। সেটা অবশ্যই সাকিব সিদ্ধান্ত নিবে। তবে আমরা চেষ্টা করছি আপাতত স্পোর্টিং ফিটনেস ফিরিয়ে আনতে।’
৯ মার্চ মেলর্বোনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেভিড হয় সাকিবের আঙুল পর্যবেক্ষণ করেন। তার বরাত দিয়ে দেবাশীষ জানান, ‘ওখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডেভিড হয় সিদ্ধান্ত নেন এ মুহূর্তে অস্ত্রোপচারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। উনি প্রদাহবিরোধী একটি ইনজেকশন পুশ করেন। তিনি আশা করছেন এই ওষুধটা ধীরে ধীরে কার্যকর হবে। যদি ওষুধটা কার্যকরী হয়, তাহলে ৭-১০ দিনের মধ্যে সে পুরোপুরি স্পোর্টিং অ্যাকটিভিটিতে ফিরতে পারবে। অগ্রগতি ইতিবাচক। এভাবে যদি চালিয়ে যেতে পারি ওই সময়ের মধ্যেই স্পোর্টিং অ্যাকটিভিটিতে ফিরতে পারবে।’








