বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়াতে তাদের ভাষায় ‘বিরক্তি’ প্রকাশ করেছে একাত্তরে সাকা-মুজাহিদ যাদের পক্ষে গণহত্যা চালিয়েছিলেন সেই পাকিস্তান। তাদের ফাঁসিতে ‘ক্ষুব্ধ’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পাকিস্তানের এরকম ধৃষ্টতাপূর্ণ প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে তলব করেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, তারা বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং জামায়াত নেতা আলী আহসান মুজাহিদের ‘অনাকাঙ্খিত’ ফাঁসির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
‘পাকিস্তান এ ধরণের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ,’ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়াও তারা পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।
১৯৭৪ সালের ৯ নভেম্বর ভারত-পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিলো একাত্তরকে পেছনে ফেলে সবাই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। তাতে করে সুনাম ও সম্প্রীতির বন্ধন দুই-ই বাড়বে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের উদ্যোগে সাকা-মুজাহিদের জন্য গায়েবানা জানাযার আয়োজন করা হয়। কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পরও গায়েবানা জানাযার পাশাপাশি পাকিস্তান পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিলো। তখনও এরকম অনাকাঙ্খিত ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলো বাংলাদেশ।







