বাংলাদেশের বোলিং হয়েছে অসাধারণ। এখন ভালো ব্যাটিংই পারে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবার টি-টুয়েন্টিতে জয়ের স্বাদ এনে দিতে। ৮ বার হারের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রোটিয়াদের হারানোর সুযোগ এসেছে। নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষকে ১১১ রানে আটকে দিয়েছে টিম টাইগার্স। এটিই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রোটিয়াদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
শেষ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম চার বল ডট করেন। ২০তম ওভারে ৪ রানের বেশি নিতে পারেনি সাউথ আফ্রিকা। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রানে থামে তারা। হেনরিক ক্ল্যাসেন সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। ডেভিড মিলারের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে জীবন পেয়ে শেষমেষ আউট হন রিশাদ হোসেনকে উইকেট দিয়ে।
২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল প্রোটিয়া দল। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ক্ল্যাসেন ও মিলার যোগ করেন ৭৯ রান। জুটি ভাঙতে পারত লিটন দাস মিলারের ক্যাচ গ্লাভসে জমা করতে পারলে। ১১তম ওভারে আসা মাহমুদউল্লাহর প্রথম ডেলিভারিতে এজ হয়, ক্যাচ যায় বাংলাদেশ কিপারের হাতে। তালুবন্দি করতে পারেননি লিটন। সাউথ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ৫৭ রান।
নিউইয়র্কে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মিড উইকেট দিয়ে বিশাল ছক্কা মেরে তানজিম হাসান সাকিবকে তাঁতিয়ে দিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। পরের বলেও হজম করতে হয় বাউন্ডারি। তবে শেষ ডেলিভারিতে মেলে সাফল্য। রেজা হেনড্রিক্সকে (০) দারুণ এক বলে এলবিডব্লিউ করেন তরুণ পেসার। পরের ওভারে ফেরান ঝড় তোলা ডি কককে (১৮)।
বোল্ড করেন সাউথ আফ্রিকার তারকা ওপেনার ডি কককে। তাসকিন আহমেদেরও সাফল্য পেতে অপেক্ষা করতে হয়নি। এইডেন মার্করামকে (৪) বোল্ড করে দেখান সাজঘরের পথ। পরে তানজিম আবারও আঘাত হানেন আগুনে বোলিংয়ে। ত্রিস্তান স্টাবসকে ফেরান শূন্য রানে।








