ভোলায় প্রয়োজনের তুলনায় সাইক্লোন শেল্টারের পরিমাণ অনেক কম। যেগুলো আছে তারও বেশির ভাগ দীর্ঘ দিনের পুরনো ও ব্যবহার অনুপযোগী। ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দুর্যোগ আক্রান্ত মানুষকে গাদাগাদি করে থাকতে হয় বলে অনেকেই সাইক্লোন শেল্টারে যেতে চায় না।
ভোলায় প্রতি বছর ঝড় জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বহু লোকের প্রাণহানী হয়। দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য জেলার ৭ উপজেলায় যেখানে এক হাজারের বেশি সাইক্লোন শেল্টার প্রয়োজন সেখানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মাত্র ২শ’ ৮৪টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে।
দুর্যোগের সময় এসব আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রায় ৪’শ প্রতিষ্ঠানে মানুষ আশ্রয় নেয়। সেখানে যেতেও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বলছে, ভোলায় বর্তমানে ৪২টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের কাজ চলছে। এ ছাড়া আরও ৬৭টি শেল্টার নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।
পুরনোগুলো সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের পরিকল্পনা করছে এলইজইডির নির্বাহী প্রকৌশলী। দুর্যোগ মোকাবেলায় দ্রুত সাইক্লোন শেল্টার বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসির।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








