লক্ষ্য ছিল আয়রনম্যান খেতাব নিয়ে তবেই দেশে ফিরবেন। মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত সেটা পেরেছেনও। বাংলাদেশের প্রথম লৌহমানব হয়ে মালয়েশিয়া থেকে ফেরা আরাফাতকে তাই সম্মাননা প্রদানে কার্পণ্য করেনি পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
মালয়েশিয়ার ল্যাংকাওয়েতে ১০০৮ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২৭৪তম হন আরাফাত। ৭৮টি দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিতে হয়েছে তাকে। দেশ ছাড়ার আগে ১৭ ঘণ্টার প্রতিযোগিতা ১২ ঘণ্টায় শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও আরাফাতের লেগেছে ১২ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট।
তাতেও খেতাব পেতে কোন সমস্যাই হয়নি। বাংলাদেশের প্রথম ‘আয়রনম্যান’ হয়েই দেশে ফিরেছেন। রোববার প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আরাফাতের হাতে সম্মাননা তুলে দেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ।
পৃষ্ঠপোষকের অভাব, অনুশীলনের সুবিধা না থাকা, ইনজুরি সমস্যা; সবকিছুকে একপাশে রেখে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েই মালয়েশিয়ার ল্যাংকাওয়েতে যান আরাফাত। আয়রনম্যান প্রতিযোগিতায় ৩.৮ কিলোমিটার সাঁতার, ১৮০ কিলোমিটার সাইক্লিং ও ৪২.২ কিলোমিটার ফুল ম্যারাথন শেষ করতে হয়েছে তাকে।
স্বপ্ন এখানেই শেষ নয়। ভবিষ্যতের পরিকল্পনার শুরুটাও যে এখান থেকেই সেটাও জানালেন আরাফাত। পরেরবার আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামবেন বলে জানালেন বাংলাদেশের প্রথম আয়রনম্যান!
দু’বছরের জন্য ‘পিকেএসএফ’র শুভেচ্ছাদূত করা হয়েছে আরাফাতকে।








