জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন আজ। ১৭ মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের নিভৃতপল্লী টুঙ্গিপাড়ার শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। মা-বাবার স্নেহের খোকা নিজ বিদ্যালয়ের ছাদ সংস্কারের দাবিতে নেতৃত্ব দিয়ে একটি দল নিয়ে যান অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কাছে।
এরপর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠ, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ আর রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় তিনি হয়ে উঠেন বাংলার মানুষের আশা-আকাঙ্খার মূর্ত প্রতীক।
১৯৪০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশনে যোগ দিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। ১৯৪৮ সালে তিনি ছাত্রলীগ গঠন করেন, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ যা পরে হয় আওয়ামী লীগ।
৫২’র ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার পর ১৯৬১ সালে গোপনে গঠন করেন স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ। ১৯৬৩ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ৬৬’র ছয় দফা আর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার পথ ধরে ৬৯এর গণঅভ্যুত্থান।
৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও সরকার গঠন করতে দেয়নি পাকিস্তানিরা। স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন রূপ নেয় স্বাধীনতার আন্দোলনে।
আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে জাতীয় শিশু দিবস। সরকারি ছুটি। প্রধানমন্ত্রীর আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ।
এরপর হেলিকপ্টারে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৭তম জন্মদিবস এবং জাতীয় শিশু দিবস-২০১৬ উপলক্ষে আয়োজিত শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়ায় বইমেলা উদ্বোধন ও সেলাই মেশিন বিতরণও করবেন তিনি।
বিকেলে ঢাকায় ফিরে পরদিন শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৭তম জন্মদিবস এবং শিশু দিবস-২০১৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







