ভারতের মেঘালয়ের একটি হাসপাতালে সন্ধান পাওয়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে যে বর্ণনা দিয়েছেন তাতে পুলিশসহ সবাই বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
সালাহ উদ্দিন ভারতের মেঘালয় পুলিশকে বলেছেন, দুইমাস আগে তাকে ঢাকা থেকে অপহরণ করা হয়েছিলো। তিনি তার রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে মানসিক হাসপাতালে থাকা অবস্থায় স্ত্রী হাসিনা আহমেদের ফোন নম্বর দিয়ে কথা বলতে চান।
মেঘালয় পুলিশের আইজিপি জিএইচপি রাজু বলেন, অপহরণের পর কী হয়েছে এবং বৈধ কাগজ ছাড়া শিলং এ কীভাবে পৌঁছেছেন তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ মনে করতে পারছেনা। তাহলে তিনি স্ত্রীর ফোন নম্বর কীভাবে মনে রাখলেন তা নিয়ে পুলিশ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, কলকাতা বা আগরতলায় বাংলাদেশীরা সহজেই প্রবেশ করতে পারলেও শিলং এ বাংলাদেশীদের অনুপ্রবেশ হয় না বললেই চলে। তাহলে অপহরণকারীরা কেনো তাকে এই জায়গায় ফেলে যাবে তাও খতিয়ে দেখছেন তারা।
সাবেক এ প্রতিমন্ত্রীর শুধু প্রাথমিক বক্তব্যই নয়, তার পোশাক ও শারীরিক অবস্থাও সবার মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি করছে।
স্থানীয় পুলিশের ভাষ্যমতে গ্রেফতারের সময় সালাহ উদ্দিন আহমেদ মানসিক বিকারগ্রস্ত লোকের মত চলাফেরা করতে দেখা গেলেও ছবিতে দেখা গেছে তার পোশাক ছিল পরিষ্কার,পায়ে ছিল পরিচ্ছন্ন জুতা। মুখ ছিল ক্লিন শেভড।
মেঘালয় পুলিশ প্রধানসহ সবার মনেই প্রশ্ন আসছে ২ মাস অপহৃত অবস্থায় থাকলে কেউ এতটা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কীভাবে থাকতে পারে।
এছাড়াও হাপাতালে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে তার ওপর কোনো ধরণের চেতনানাশক ওষুধ বা মাদকদ্রব্য প্রয়োগ করা হয়নি।
মেঘালয় পুলিশ প্রধান বলেন, তারা আশা করছেন সালাহ উদ্দিন আহমেদকে খুব দ্রুত তারা আদালতে হাজির করতে পারবেন।
তিনি জানান, সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে বিএনপির এ নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা যায়নি।







