কাঠমান্ডু ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৪র্থ ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টারাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনোমিক কোঅপারেশন, বিমসটেক’ শীর্ষ সম্মেলন। এমন সময়ে এই সম্মেলন হলো- যখন এর প্রায় সব সদস্য দেশ সন্ত্রাসবাদের আঘাতে জর্জরিত।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত এ বিষয় উঠে এসেছে বিমসটেক নেতাদের কথায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: ‘সন্ত্রাসবাদ, দারিদ্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তন এই অঞ্চলের প্রধান শত্রু। এই শত্রুর বিরুদ্ধে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।’ একইসঙ্গে বাংলাদেশের মাটি এক ইঞ্চি মাটি সন্ত্রাসবাদের জন্য ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলেও দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এছাড়াও সদস্য দেশগুলোর পারস্পারিক বিদ্যুত সহযোগিতা বাড়াতে বিসমটেক গ্রিড গড়ে তোলার সমঝোতা হয়েছে, চুক্তির অপেক্ষায় আছে মুক্ত বাণিজ্য ও অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদসহ আরো দুটি চুক্তি। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের মধ্যে।
আমরা আশা করি, এই শীর্ষ সম্মেলনের যাবতীয় চুক্তি বাস্তবায়ন বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ দমন ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেক কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সদস্য দেশ মিয়ানমারের কারণে পুরো অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি বাড়ছে বলে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জঙ্গিবাদ থেকে শুরু করে এই অঞ্চলের যেকোনো সন্ত্রাসবাদ দমনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান জরুরি। বিমসটেক সম্মেলন আঞ্চলিক নেতাদের ট্যুরে পরিণত না হয়ে এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।








