নিপা ও সুনীল দুজন দুজনকে ভালোবাসে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। একই বিভাগে। ভালোবাসার শুরুটা অবশ্য তাদের তিন বছর ধরে। কিন্তু এই তিন বছরে দুজনের মধ্যে মিল থাকলেও প্রায়শই ঝগড়া লেগেই থাকে। আর এর কারণ হলো সুনীল নিপাকে সন্দেহ করে। কিন্তু নিপার এটা পছন্দ নয়। সুনিল প্রতিনিয়ত নিপাকে মানসিক ভাবে টর্চার করতে থাকে। সুনিল এর দৃষ্টি তে এ সব কিছুই তার নিপার প্রতি ভালোবাসা। নিপা সুনিলকে বোঝাতে চায় তারা দুজন দুজনকে অনেক ভালোবাসে। আর ভালবাসায় বিশ্বাস থাকাটাই জরুরী।
কিন্তু সুনিল একরোখা। আর এ নিয়ে প্রতিনিয়ত ঝগড়া চলেই তাদের মাঝে। একই বিভাগের আরেকটি ছেলে আদনান। একদিকে নিপা তার ভালোবাসার মানুষটির প্রতি যন্ত্রণা আর তার প্রতি অবিশ্বাসের কারণেই ফ্রাস্ট্রেট হয়ে সুনীলের কথা সব খুলে বলে আদনানকে। আদনান নিপাকে বোঝায় সুনিল এর সন্দেহ তার ভালবাসার পাগ্লামির বহিঃপ্রকাশ। সুনিল এর পাগলামি আর সন্দেহপ্রবনতায় নিপা-সুনিল এর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সুনীলের পাগলামি দেখে আদনান ঠিক করে নিপার সঙ্গে মিশবে না। কিন্তু নিপা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে সুনিলকে এভয়েড করতে থাকে। শেষমেষ সুনীল তার বন্ধুদের নিয়ে আদনানকে মারে।
আর এই খবর পৌছে যায় নিপার কাছে। হাসপাতালে যায় নিপা। হাসপাতালে আদনান নিপাকে বুঝিয়ে বলে এসব কিছু না। কোন সমস্যা হবে না। তুমি সুনীলকে সময় দাও। সে তোমাকে অনেক ভালোবাসে। এসব কথা শুনে নিপা কাঁদতে কাঁদতে চলে যায় হাসপাতাল থেকে। এদিকে সুনীলও অনুতপ্ত আর অপরাধ বোধ-এ ভুগে। সে তার ভুল বুঝতে পারে। বুঝতে পারে নিপা-সুনিলের ভাবনার জগতটা একেবারে বিপরীতমুখী। এদিকে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে নিপা।
মনের এমন টানাপোড়েনের গল্পে নির্মিত নাটক ‘ভালোবাসি একটু বেশি’। রচনা কুদরত উল্লাহ ও পরিচালনা রাহাত কবির। এতে সুনিল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা সজল, নিপা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শারমিন আখিঁ এবং আদনান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আতিক হাসান। খুব শিগগির একটি বেসরকারি টেলিভিশনে নাটকটি দেখানো হবে।








