পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় একজন নিহত ছাড়াও আহত শতাধিক। কয়েকটি পৌরসভায় ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি প্রার্থীরা নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন। সংঘর্ষের পর নির্বাচন বর্জন করেছেন বরগুনা সদরের আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী। কমপক্ষে ১৫টি কেন্দ্রে স্থগিত করা হয়েছে ভোটগ্রহণ।
বিচ্ছিন্ন হলেও এরকম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বেশ কিছু জায়গায়। সংঘর্ষের পাশাপাশি কিছু জায়গায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে নড়াইলের কালিয়ায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।
অনিয়মের অভিযোগে মাদারীপুরের কালকিনি, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, নোয়াখালীর চৌমুহনী, নড়াইলের কালিয়া, জামালপুরের সরিষাবাড়ি, ময়মনসিংহের ভালুকা, কুমিল্লার বরুড়া এবং ফরিদপুরের নগরকান্দায় কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।
২শ’ ৩৪ পৌরসভায় কড়া নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টায়। কোনো বিরতি ছাড়াই ৩ হাজার ৫শ’ ৫৫টি কেন্দ্রে ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রথমবারের মতো পৌর মেয়র পদে চলছে নৌকা ও ধানের শীষের ভোট লড়াই। পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে শীতের সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ছিলো ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। বেশিরভাগ জায়গাতেই উৎসবের আমেজে চলছে ভোটাভুটি।
নির্বাচনে প্রায় ১২ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে লড়ছেন ৯শ ৪৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮ হাজার ৭শ’৪৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২ হাজার ৪শ’ ৮০ জন। ২শ ৩৪ পৌরসভায় ভোটার প্রায় ৭১ লাখ। ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক লাখ ১৭ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এরইমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ৭টি পৌরসভায়।







