আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে বিএনপির ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর আসাদুজ্জামান রিপন এবং আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস এমপি বলেছেন, এর মাধ্যমে উদার রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চা এক ধাপ এগোবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের জন্য আগামী ২১ জুন বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ইফতার মহফিলের আমন্ত্রণপত্র নিয়ে দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে যান বিএনপি নেতারা।
আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস এমপির হাতে শেখ হাসিনার জন্য খালেদা জিয়ার ইফতারের দাওয়াতপত্র তুলে দেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর আসাদুজ্জামান রিপন।
পরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডি কার্যালয়ের হল রুমেই কথা বলেন তারা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে চা খেতে খেতে দুই প্রধান দলের নেতারা আন্তরিকভাবে কথা বলেন অনেকক্ষণ।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশে একটি ভালো জায়গা করে দেয় বাংলাদেশের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক উৎসব-অনুষ্ঠান। পবিত্র রমজান মাস সংযম ও ধৈর্য পরীক্ষার মাস। এই রমজানে একসঙ্গে ইফতার করাটা সামাজিকতার অনুষঙ্গ। এ উপলক্ষে তারা একসঙ্গে বসে নিজেদের চিন্তা-ভাবনা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করতে চান।
এর মাধ্যমে দুই দলের মধ্যে একটি নতুন সম্পর্ক স্থাপিত হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগও এ বিষয়টিকে দেখছে ইতিবাচকভাবেই।
দলের পক্ষে লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস বলেন, গত কয়েক মাসে দেশে যে অস্থির পরিবেশ ছিলো তাতে জনগণ অতিষ্ঠ ছিলো। এমন একটি সময়ে বিএনপির এই আমন্ত্রণে খুঁশি আওয়ামী লীগ। এর মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরে আসবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতেও পারে।







