গ্রিসে বিতর্কিত গণভোট শুরু হয়েছে। চরম আর্থিক সংকটে থাকা দেশটিতে ইউরোজোনের দেয়া কঠোর শর্তযুক্ত অর্থ সহায়তা প্রস্তাবের উপর গণভোটে ভোট দেবে লাখো ভোটার। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সন্ধ্যানাগাদ ভোটগ্রহণ চলবে। ফলাফল নিয়েও রয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। তবে জনমত জরিপে এগিয়ে আছে হ্যাঁ-ভোট।
আন্তর্জাতিক ঋণদাতারা গ্রিসকে সরকারি ব্যয় কমানো এবং কর বাড়ানোর শর্তে ঋণ দিতে প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হয়ে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস এই গণভোটের ডাক দেন।
গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে ইউরোজোন থেকে গ্রিসকে বিদায় নিতে হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। আর ‘হ্যাঁ’ জিতলে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস। তবে অর্থমন্ত্রী ইয়ানিস ভারুফাকিস বলেছেন, ইউরোজোন থেকে গ্রিসকে বের করে দেয়ার নৈতিক ক্ষমতা ইইউ’র নেই।
গ্রিসে ব্যাংক বন্ধসহ সরকারি নানা কড়াকড়িতে খাদ্য ও ওষুধ মজুদেও ঘাটতি দেখা গিয়েছে, পর্যটকের সংখ্যাও কমে গেছে। এসব কারণে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ব্যাংকগুলোতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ থাকবে কি না তা নিয়েও দেখা যাচ্ছে সংশয়। ৩০ জুন আইএমএফের ঋণ ফেরত দেয়ার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
গ্রিকরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে জরুরি তারল্যের মান বাড়ানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঋণ সহায়তা দেবে ঋণদাতা দেশগুলো। বিক্রয় কর বাড়ানো, পেনশন কমানোসহ বিভিন্ন প্রস্তাবের বিপক্ষে ছিলো সিপ্রাসের সরকার।







