আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার জোট সরকারকে অস্ত্র সহায়তা দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের পরাশক্তিগুলো। উত্তর আফ্রিকায় আইএসের প্রভাব বিস্তার রোধে অস্ত্র সহায়তা দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৫ টি দেশ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং ইটালীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় লিবিয়া বিষয়ক আলোচনায় জাতিসংঘের স্থায়ী পাঁচ সদস্য ও আরো ২০টি দেশ অস্ত্র দেয়ার বিষয়ে তাদের সম্মতির কথা জানিয়েছে।
বৈঠক শেষে বিবৃতিতে দেশগুলো বলেছে, তারা লিবিয়ার সরকারের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার চেষ্টা করছে।
প্রধান শক্তিধর দেশগুলো বলছে, লিবিয়ায় সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ে তারা পরিপূর্ণ সমর্থন দিতে প্রস্তুত রয়েছে। 
তবে লিবিয়ার নতুন সরকার দেশটিতে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে পাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার।
ইউরোপিয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ফেদেরিকা মোঘেরিনি বলেন, লিবীয় জনগণকে সহায়তা করার জন্য ইইউ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আমরা দশ কোটি ইউরোর একটি তহবিল তৈরি করেছি।
গত মাসেই লিবিয়ার নবগঠিত সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল, দ্রুত থামানো না গেলে আইএস দেশটির অধিকাংশ এলাকা দখল করে নিতে পারে।
ঐক্যমত্যের সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফয়েজ সেরাজ বলেছেন, দেশটির সামনে এখন বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে এবং আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাইরের সাহায্য প্রয়োজন।
২০১১ সালে কর্নেল গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ার বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠি দেশটির বিভিন্ন অংশের নিয়ন্ত্রণ করছে।








