এশিয়া কাপের ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। লিটন দাস একাই করেছেন ১২১। বাকিরা মিলে করেছেন ৯৪ রান। ৭ রান এসেছে অতিরিক্ত খাত থেকে।
টুর্নামেন্ট জুড়ে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটির দুর্দশা কাটে শিরোপার মঞ্চে। আসে ১২০ রানের জুটি। তাতে দুর্দান্ত শুরু পায় টাইগাররা। প্রত্যাশার বেলুন যখন উঁচুতে তখন ধপাশ করে মাটিতে পড়া। দুবাইয়ে বড় সংগ্রহের আশা জাগানো বাংলাদেশ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৪৮.৩ ওভারে গুটিয়ে যায় ২২২ রানে।
এদিন ৯ নম্বর থেকে সাত ধাপ প্রমোশন পেয়ে ওপেনিংয়ে লিটনের সঙ্গী হন মেহেদী হাসান মিরাজ। তারা এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। আগের পাঁচ ম্যাচে ওপেনিং জুটির যোগফল ৫২ রান। আর ফাইনাল ম্যাচেই আসে ১২০ রান।
ইনিংসের ২১তম ওভারে ৩২ রান করে মিরাজ কাভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ওপেনিং জুটি বিচ্ছিন্ন হতেই শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল। মুহুর্তেই বদলে যায় স্কোরবোর্ডের চেহারা।
১ উইকেটে ১২০ থেকে ৫ উইকেটে ১৫১। ৩১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন আরও চার ব্যাটসম্যান। ইমরুল কায়েস (২), মুশফিকুর রহিম (৫), মোহাম্মদ মিঠুন (২), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৪) প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে কেবল হতাশাই বাড়ে।
আগের ম্যাচগুলোতে টপঅর্ডারের ব্যর্থতার পর হাল ধরে মিডলঅর্ডার। এদিন দেখা যায় বিপরীত চিত্র। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটি গড়েও আড়াইশর কাছেই যেতে পারল না মাশরাফীর দল।

হঠাৎ বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান সাত নম্বরে নামা সৌম্য সরকার। লিটনকে সঙ্গ দেন পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে। ৩৭ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভাঙে লিটন স্টাপিং হলে। যাবদের বল এ ডানহাতির ব্যাট ফাঁকি দিলে বল গ্লাভসবন্দী করে স্টাম্প ভাঙেন ধোনি। তৃতীয় আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে কাটা পড়ে লিটনের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসটি।
লিটন ১১৭ বলের ইনিংসটি সাজান ১২টি চার ও দুটি ছক্কায়। এদিন অর্ধশতকে পা রেখেছিলেন ৩৩ বলে। শতক তুলে নেন ৮৭ বলে। শেষটায় সৌম্যর একার লড়াই থামে ৩৩ রানে। রান আউট হয়ে তার সাজঘরে ফেরার ওভারেই রুবেল বুমরাহর বলে বোল্ড হলে ৯ বল হাতে রেখেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
চায়নাম্যান কুলদীপ যাদব একাই নেন তিন উইকেট। দুটি উইকেট নিয়েছেন অফস্পিনার কেদার যাদব। লেগস্পিনার যোগেন্দ্র চাহাল ও পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ নেন একটি করে উইকেট। তিন ব্যাটসম্যান হন রান আউটের শিকার।








