নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজ রূপসী-৯ চাপার ঘটনায় যাত্রীবাহী এম.এল আফসার উদ্দিন লঞ্চ ডুবির ঘটনায় শিশুসহ আরও তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ নিয়ে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় মোট তিন শিশুসহ ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ শাহ্ সিমেন্ট এলাকা থেকে অজ্ঞাত (৩২) ও হরিহপুর এলাকা থেকে শিশুর (৪) লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল।
নারায়ণগঞ্জ নৌ-থানা পুলিশের ওসি জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক সাড়ে আটটার সময় মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর থেকে বেসরকারি আইটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জাবের এবং বন্দর উপজেলার হরিপুর থেকে তিন বছরের শিশু আরোহীর লাশ উদ্ধার হয়। লাশ দু’টি ভেসে উঠলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কতৃপক্ষকে জানায়। পরে তাদের টহল বোট গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
পরে সকাল দশটায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থেকে আর ও এজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান নিহতের স্বজনরা। তবে উদ্ধারে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-থানা পুলিশ ও কোস্ট গার্ড কতৃপক্ষ জানিয়েছে, তালিকা অনুযায়ী আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত টহল ও তল্লাশি তৎপরতা চলবে।
গত রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে রূপসী-৯ নামের কার্গো জাহাজ ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী লঞ্চ এলএম আফসার উদ্দিন-কে। এতে লঞ্চটি নদীতে ডুবে যায়।
মালবাহী জাহাজ রূপসী-৯ এর ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এল এম আফসার উদ্দিন ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। বেপরোয়া গতিতে জাহাজ চালিয়ে লঞ্চ ডুবিয়ে দেয়ার জাহাজের চালক, মাষ্টার, সুকানি সহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে।








