মাদক চোরাচালানের তথ্য র্যাবকে দিয়ে আসছিলো সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। বিষয়টি জানতে পেরে যশোরের বাসিন্দা সফিকুল (৫০) নামে র্যাবের এক সোর্সকে অপহরণ করে মাদক চোরাকারবারীরা। পরে নিজেদের মাদক ও অস্ত্র দিয়ে সফিকুলকে খুলনার রূপসা থানায় গ্রেপ্তার করিয়ে দেয় চক্রটি।
মঙ্গলবার দুপুরে কারওয়ানবাজারের র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক চোরাচালন ওই চক্রের ৮ সদস্যকে ৬টি চোরাই গাড়িসহ আটক করা হয়।
আটককৃতরা হল- মিলু মিয়া (২৬), আব্দুল খালেক (৩২), ফাহিম আহমেদ (২৮), হাবিবুর রহমান (৩২), সফিউর রহমান ওরফে লিটু (৩৪), আতিকুর রহমান (৩৩), মোখলেস মোল্লা (৩৫) ও মামুন (৩৮)।
আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে কাইয়ুমুজ্জামান জানান, তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে গাড়ি চুরি করে গাড়িগুলো মাদক চোরাচালানের কাজে ব্যবহার করতো। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, অপহরণ, গাড়ি চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০ অধিনায়ক জানান, ১৫ এপ্রিল ঢাকায় আসার পথে কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাট থেকে অপহৃত হন র্যাবের সোর্স সফিকুল। মাদক চোরাকারবারীরা তাকে অপহরণ করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে নিয়ে যায়। তাকে উদ্ধারে র্যাবের অভিযান টের পেয়ে সফিকুলকে খুলনা নিয়ে যায় এবং নিজেদের মাদক ও অস্ত্র দিয়ে রূপসা থানা পুলিশকে দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়। পুলিশকে বিষয়টি জানালে সফিকুলকে উদ্ধারসহ ওই চক্রের এক সদস্যকে আটক করে পুলিশ।
তিনি বলেন: ‘চক্রের সদস্যরা ঢাকায় আসছে এমন খবর পেয়ে সোমবার রাতে শনির আখড়া থেকে দিলু মিয়া ও আব্দুল খালেককে একটি চোরাই গাড়িসহ আটক করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকা, হবিগঞ্জ ও মৌলভিবাজার থেকে আরো ছয় সদস্যকে ৫ টি চোরাই গাড়িসহ আটক করা হয়। উদ্ধার মোট ছয়টি গাড়ির মধ্যে ৪টি প্রাইভেটকার ও দুইটি মাইক্রোবাস।








