এস আই টুটুল এবার দুইটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ‘বাপজানের বায়স্কোপ’ ছবিতে ‘নদী ও জীবন’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গায়ক, একই গানের জন্য শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার জিতেছেন এই ব্যান্ড তারকা। পুরস্কার জেতার খবর গত বৃহস্পতিবার রাতেই পেয়েছেন তিনি। অনেকেই ফোন করে জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার পত্রিকায়ও দেখেছেন। পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এস আই টুটুল বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ কৃপা ছাড়া কিছুই হয় না। গানটা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাবে, এতটা ভাবিনি। আমার কোনো ক্রেডিট নাই। পুরোটাই আল্লাহর রহমত।’
‘উথাল পাথাল জোয়ার ভাটায় নদীর জীবন’ গান রেকর্ডের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালের রোজার মধ্যে এই গানের রেকর্ডিং হয়। আমি রোজা রেখে এই ছবির গানগুলো করেছি। গানের নদী ও জীবন গানের সবগুলো বাদ্যযন্ত্র আমি নিজে বাজিয়েছি। আমি একাই রোকর্ড করেছি। গানে, “নদীরে…” বলে উচ্চমাত্রায় একটা টান আছে। সেই টান দিতে জান বেরিয়ে যাওয়ার উপায় হয়েছিল। তারপরও গানটা করেছি। যার ফল এখন পেলাম।’
তিনি সব সময় পাশে থাকার জন্য স্ত্রী তানিয়া আহমেদকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে ছবির পরিচালক রিয়াজুল মওলা রিজু ও গানের গীতিকার আমিরুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এস আই টুটুল জানান এই গান এবার তিন তিনটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছে। সেরা গায়ক ও সেরা সংগীত পরিচালক হিসেবে এস আই টুটুল এবং সেরা গীতিকার হিসেবে আমিরুল ইসলাম।
এ পর্যন্ত ছয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এস আই টুটুল। জানালেন, তিনি এখন ব্যস্ত আছেন চ্যানেল আইয়ের ক্ষুদে গানরাজদের নিয়ে। সম্প্রতি ক্ষুদে গানরাজের ফাইনালিস্ট ঈষিকাকে দিয়ে একটি মায়ের গান করিয়েছেন। গানের অডিওর কাজ শেষ। এখন ভিডিও নির্মাণ হলেই শ্রোতাদের উপহার দেওয়া হবে। এখন সবাই গানের পাশাপাশি ভিডিও দেখছে। সময়ের সাথে তাল রেখে টুটুল গানের পাশাপাশি ভিডিও নির্মাণের দিকে ঝুঁকছেন।
তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমি গান করব। আমার স্ত্রী তানিয়া আহমেদ সেগুলোর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করবে। অচিরেই তানিয়াকে নিয়ে মিউজিক ভিডিওর কাজে নেবে পড়ব।’
‘নদী ও জীবন’ গানের ভিডিও লিংক :








