‘যে নীতিমালা হয়েছে তাতে যৌথ প্রযোজনায় সিনেমা বানানো কঠিন। যৌথ প্রয়োজনার নতুন নীতিমালার সংস্কার প্রয়োজন। সিনেমায় সেন্সর বোর্ড বলে কিছু থাকা উচিত নয়। গ্রেডেশন বোর্ড থাকা উচিত। কোন কিছু আটকে রাখা ঠিক না। আমি সেন্সর বোর্ডের অ্যাপিলেড বিভাগের সদস্য হয়েও এটা বলছি। তখন চলচ্চিত্র ছিল একটি পরিবারের মত। ভালো সিনেমাও হত অনেক। চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় মধ্যবিত্তও প্রভাবিত হত। মধ্যবিত্ত সিনেমা হলে যেত। এখন ভালো সিনেমা সেই অর্থে নেই। মধ্যবিত্তও সিনেমা হলে নেই। মধ্যবিত্ত সিনেমা হলে ফিরলে সিনেমার দিনবদল হবে।’
৭৫ তম জন্মদিনে চ্যানেল আইয়ের নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘তারকা কথন’-এ এসেছিলেন তিনি। আর এখানেই চ্যানেল অনলাইনকে এমনটি বলেছেন দৈনিক সমকাল সম্পাদক এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের আপিল বিভাগের সদস্য গোলাম সারওয়ার।
গোলাম সারওয়ার বলেন, নীতিমালার বিষয়টি আরো পর্যালোচনার বিষয় আছে। শিল্প নির্মাণের কোন গন্ডিবদ্ধতা থাকা উচিত না। তবে একটি নিয়মকানুন অবশ্যই থাকা উচিত। কিন্তু নিয়ম হওয়া উচিত শিল্পের বিকাশের স্বার্থে। সেটি যেন অন্তরায় হয়ে না দাঁড়ায়।’
সেন্সর বোর্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সদস্য হওয়ার পর যতটা সম্ভব সব সিনেমাকে আনকাট মুক্তি দেওয়ার পক্ষে থেকেছি। কারণ আমি মনে করি যার যা বলার তা বলতে দেওয়া উচিত। সেই বলতে দেওয়াটা প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকেও বলা সম্ভব। এর বাইরে গেলে তার প্রতিরোধ আইন করবে। কিন্তু বোর্ডের মাধ্যমে শিল্পের রাস্তা রুদ্ধ সংগত নয়। আমি বোর্ডে বলেছি যদি কখনও মনে হয় অন্যায় হচ্ছে আমি পদত্যাগ করব। আর আমিতো মনে করি সেন্সর বোর্ড থাকা উচিত নয়। থাকা উচিত গ্রেডেশন। সুযোগ থাকায় বেশ কয়েক জায়গায় এ বিষয় নিয়ে বলেছি। দেখা যাক কি হয়।
নিজের জন্মদিন প্রসঙ্গে বলেন, আমার মনের জোর ভীষণ। মনের জোর এবং ভালোবাসার কারণে এখনও কাজ করছি। আমি একটি দিনও কর্মহীন এবং গলগ্রহ হয়ে থাকতে চাইনা। সাংবাদিকতায় সচল থাকতে থাকতে যেন আমার সংবাদপত্র অফিসে মৃত্যু হয় এই কামনা করি নিজের জন্য।








