মঙ্গলবার থেকে রাজধানীর খোলা বাজারে ৪৫ টাকা কেজি দরে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন।
দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বাণিজ্য সচিব বলেন, ঢাকা মহানগরীর ৩৫টি স্থান ছাড়াও চট্টগ্রামের ১০টি স্থানে এবং ৫টি বিভাগীয় শহরে একই সঙ্গে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করা হবে।
এ সময়, পেঁয়াজের মজুদ না বাড়িয়ে তা বিক্রি করে দেয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতিও অনুরোধ জানান তিনি।
রাজধানীর যেসব স্থানে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পেঁয়াজ
এক বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি জানায়, সোমবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হবে পেঁয়াজ। এছাড়া চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতেও পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পণ্য বিক্রি চলবে। তবে শুক্রবার বন্ধ থাকবে।
টিসিবি জানায়, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। একজন ডিলার কেজি ৪৫ টাকা দরে প্রতিদিন এক হাজার কেজি (এক টন) পেঁয়াজ বিক্রি করবে।
১. সচিবালয়ের গেইট, ২. প্রেস ক্লাব, ৩. কাপ্তান বাজার, ৪. ভিক্টোরিয়া পার্ক, ৫. সায়েন্সল্যাব মোড়, ৬. নিউ মার্কেট/নীলক্ষেত মোড়, ৭. শ্যামলী/কল্যাণপুর, ৮. ঝিগাতলা মোড়, ৯. খামারবাড়ি, ফার্মগেট; ১০. কলমীলতা মোড়, ১১. রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট, কচুক্ষেত; ১২. আগারগাঁও তালতলা ও নির্বাচন কমিশন অফিস, ১৩. রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, উত্তরা; ১৪. মিরপুর-১ নং মাজার রোড, ১৫. শান্তিনগর বাজার, ১৬. মালিবাগ বাজার, ১৭. বাসাবো বাজার, ১৮. আইডিয়াল স্কুল, বনশ্রী; ১৯. বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর, ২০. মহাখালী কাঁচাবাজার, ২১. শেওড়াপাড়া বাজার, ২২. দৈনিক বাংলা মোড়, ২৩. শাহজাহানপুর বাজার, ২৪. ফকিরাপুল বাজার ও আইডিয়াল জোন, ২৫. মতিঝিল বক চত্বর, ২৬. খিলগাঁও তালতলা বাজার, ২৭. রামপুরা বাজার, ২৮. মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর, ২৯. আশকোনা হাজি ক্যাম্প, ৩০. মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচাবাজার, ৩১. দিলকুশা, ৩২. মাদারটেক নন্দীপাড়া কৃষি ব্যাংকের সামনে ও পলাশী মোড়ে।
এ বছর বন্যায় ভারতের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় চলতি বছরে মৌসুমি পেঁয়াজ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেয় সেখানে। ফলে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। তাই গত জুনে ভারত সরকার রপ্তানি ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেয়। কিন্তু রোববার থেকে পুরোপুরি রপ্তানির বন্ধের ঘোষণা দেয়।
গত বছর ভারত থেকে প্রায় ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৪ লাখ টন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এবার দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ টনের মতো। অবশ্য এর প্রায় ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের সময় পঁচে যায়।








