যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর বাধাগ্রস্ত করতে বিদেশী নাগরিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি আরো জানিয়েছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এক ধরণের সন্ত্রাসে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী নতুন কৌশল বেছে নিয়েছে।
দুই বিদেশী নাগরিককে হত্যার পেছনে কারা আছে এবং কী কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে সম্ভাব্য সবকটি ক্লু ধরে তদন্তকারী কর্মকর্তারা অগ্রসর হচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে দু’জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকরের প্রায় শেষ সময়ে এসে পরপর দুজন বিদেশী নাগরিককে হত্যা করা হলো। রায় বাস্তবায়ন বাঞ্চাল করতে কিছু একটা ঘটছে কি না সেটা ভেবে দেখতে হবে। সব ধারণাকে সামনে রেখেই তদন্তকারীরা অগ্রসর হচ্ছেন।
তিনি বলেন, দুইটি হত্যাকাণ্ড নিয়েই আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা বাহিনী কাজ করছে। যেসব তথ্য উপাত্ত পেয়েছি সেসবের ভিত্তিতে আশা করছি খুব শীঘ্রই রহস্য উন্মোচন করতে পারবো। কারা জড়িত তাও বলতে পারবো। অগ্নিসন্ত্রাস যখন চলছিলো তখনও মটরসাইকেলে করে পেছনের লোক বোমা ফেলে চলে যেত, সেসব মটরসাইকেলের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এগুলো অচিরেই প্রতিপালিত হবে। যেসব মটরসাইকেল ও গাড়িকে সন্দেহ হবে সেগুলোকে চেক করা হবে।
বাংলাদেশে আইএস এর অস্তিত্ব নেই, আবারো একথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, দেশের ভেতরের কোনো গোষ্ঠিই অগ্রগ্রতি বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এসব নেহাত দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য। প্রাথমিকভাবে বলতে চাই আমাদের দেশের মানুষই একাজে জড়িত। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই।
এরআগে ইতালীয় নাগরিক হত্যাকাণ্ড বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন ওই ঘটনায় আইএস জড়িত।







