যানবাহনের ধোঁয়া থেকে বায়ুদূষণ কমিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর। মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পুরাতন গাড়ির দূষণের মাত্রা পরীক্ষা করে। দূষণ করে, এমন পুরনো গাড়ি যাতে রাস্তায় চলতে না পারে সেজন্য বিআরটিএ এবং পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকও করে তারা।
পুরনো যানবাহন থেকে বের হওয়া ব্ল্যাক কার্বন এবং কার্বন মনোক্সাইড বায়ুদূষণের জন্য অনেকাংশে দায়ী। কোন যানবাহন কী মাত্রায় দূষণ ছড়াচ্ছে – তা জানতে প্রায়ই যানবাহন থামিয়ে পরিমাপ করে থাকে পরিবেশ অধিদপ্তর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও করা হয়।
পাশাপাশি বিআরটিএ এবং পুলিশকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মল বায়ু টেকসই পরিবেশ প্রকল্পের পরিচালক ড. এস এম মনজুরুল হান্নান খান। কিন্তু এভাবে শুধু আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে এ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নীরব ঘাতক বায়ু দূষণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে এসবের পাশাপাশি দূষণ কম করে, এমন গাড়ির আমদানি সুবিধা বাড়ানো হয়েছে এবারের বাজেটে।
আরও দেখুন জাহিদুজ্জামানের ভিডিও রিপোর্টে:








