এক কিশোরীকে ঘিরে গড়ে ওঠা গল্প। যে গল্পের প্রেক্ষাপট মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পরবর্তী কয়েকটি দশক। গল্পের শরীর জুড়ে মেয়েটির নানা প্রশ্ন। গল্পটি মোমেনা চৌধুরী অভিনীত শূন্যন রেপোর্টারি থিয়েটার প্রযোজিত একক নারী চরিত্রের মঞ্চ নাটক ‘লালজমিন’ এর। মঞ্চায়নের নয় বছর পূর্তির প্রাক্কালে ১৫০ তম বার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে নাটকটি।
চা-জলপ্রপাত আর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত জেলা মৌলভীবাজারে ৫ ও ৬ এপ্রিল পরপর দুদিন মঞ্চস্থ হবে ‘লালজমিন’। প্রথমদিন মৌলভীবাজার শহরে এবং পরেরদিন শ্রীমঙ্গলে স্থানীয় মহসিন মিলনায়তনে নাটকটির ১৫০ তম প্রদর্শনী মঞ্চস্থ হবে। এ প্রদর্শনী শুরুর আগে তিন মুক্তিযোদ্ধা নারী মঞ্চে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করবেন। ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ শততম প্রদর্শনী হয় নাটকটির।

১৫০তম প্রদর্শনী বিষয়ে মোমেনা চৌধুরী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘এটা আমার পরম প্রাপ্তি মুক্তিযুদ্ধেকে কেন্দ্র করে একক অভিনয়ের একটি মঞ্চ প্রযোজনা নয় বছর ধরে চালিয়ে যাচ্ছি। যতদিন বাঁচব ‘লালজমিন’ করে যেতে চাই। আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ তারা সারা দেশে মঞ্চায়নের জন্য লালজমিন’কে অনুদান দেয়াতে। কৃতজ্ঞতা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বাংলাদেশ শিল্পকলা এডেমীসহ যারা মঞ্চায়নে সহায়তা করে চলেছেন তাদের। আর কৃতজ্ঞ নাটকটির দর্শকদের। যাদের ভালোবাসা ‘লালজমিন’ এর পথচলাকে কুসুমাস্তীর্ণ করেছে।’
গত বছর সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় নাটকটি সারা দেশে মঞ্চায়নের জন্য ১১ লক্ষ টাকা অনুদান দেয়। এর আগে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুদানে নাটকটি সাতটি স্কুল ও কলেজে মঞ্চস্থ হয়। ‘লালজমিন’ দেশের অর্ধেকেরও বেশি জেলায় মঞ্চস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোমেনা চৌধুরী। এছাড়া দেশের বাইরে ভারত, কানাডা, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মঞ্চস্থ হয়েছে নাটকটি।
মান্নান হীরার রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী। নাটকটির সংগীত পরিচালনা করেছেন জুলফিকার চঞ্চল ও রামিজ রাজু।








