দ্বিতীয়দিন ২৬ ওভার হওয়ার তৃতীয়দিনে খেলা হয় মাত্র ১৭ বল। তিনদিনে মোট ১১৫.৪ ওভার। প্রায় দুদিন বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। এরপরও অকল্যান্ড টেস্টে গভীর সমস্যায় ইংল্যান্ড। জয় তো দূরের কথা, পঞ্চম তথা শেষদিনে ইংলিশরা ম্যাচ বাঁচাতে পারবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয় ৫৮ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে কিছুটা ভাল করলেও দিনের শেষ বলে অধিনায়ক জো রুটকে হারিয়ে অস্বস্তি রয়েছে তারা। চতুর্থদিন শেষে ইংলিশদের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩২ রান। কিউইদের চেয়ে এখনো ২৩৭ রানে পিছিয়ে। এই ম্যাচ বাঁচাতে হলে ৭ উইকেট শেষ দিনের পুরোটা পার করতে হবে তাদের।
৩৬৯ রানের পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ইংল্যান্ড। কিন্তু স্কোর বোর্ডে ৬ রান উঠতেই উইকেট হারিয়ে বসে তারা। মাত্র ২ রান করে ফেরেন অ্যালিস্টার কুক। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৮৮ রান তুলে শুরুর ক্ষততে একটু প্রলেপ লাগিয়েছিলেন মার্ক স্টোনম্যান ও জোর রুট। দুজনেই তুলে নিয়েছিলেন হাফসেঞ্চুরি।
দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে স্টোনম্যানকে ফেরান ওয়াগনার। ৫৫ রান করেন তিনি। ডেভিড মালানকে সঙ্গে নিয়ে ৩৮ রান তুলে দিনটা প্রায় পারই করে দিয়েছিলেন রুট। কিন্তু দিনের শেষ বলে ট্রেন্ট বোল্টের এক গুগলিতে আউট হয়ে যান ইংলিশ অধিনায়ক। শুরুতে কুককেও ফিরিয়েছিলেন বোল্ট। দিনশেষে ১৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন মালান।
এর আগে ইংল্যান্ডের ৫৮ রানের জবাবে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও মার্ক নিকলসের শতরানে ভর করে ৪২৭ রানে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। টেস্টে দ্বিতীয় দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন উইলিয়ামসন (১০২)। আর তৃতীয় দিন হাফসেঞ্চুরি তোলা নিকলস চতুর্থ তুলেন নেন সেঞ্চুরি। ইনিংস ঘোষণার আগে ২৬৮ বল খেলে ১৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
নিকলস ছাড়াও ছোট ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন বিজে ওয়াটলিং ৩১, কলিন ডি গ্রান্ডহোমে ২৯, টিম সাউদি ২৫ ও টোড অ্যাস্টল ১৮।
ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন জেমস অ্যান্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রড। একটি করে উইকেট নিয়েছেন জো রুট ও ক্রেইগ ওভারটন।








