শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে বিপজ্জনক জুটি হয়েছে দুটি। একটি প্রথম উইকেটে, ৫৭ রানের। আরেকটি দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের। প্রথমটা ভাঙেন মিরাজ। বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছিল দ্বিতীয়টা। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মোস্তাফিজ সেটা ভেঙে বাংলাদেশকে পথে রাখেন। পরে আরো দুইজনকে ফেরান।
সাকিবও নিয়েছেন তিন উইকেট। সারাদিন তিনি কী কী করেছেন, এই তিনটি উইকেট তা বোঝাতে পারছে না। একদিকে মোস্তাফিজ আরেক দিকে তিনি লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের কাঁপিয়ে ছেড়েছেন।
লাঞ্চের আগে মাত্র ১ উইকেট হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু লাঞ্চের পর ৭ ওভারের স্পেলে মোস্তাফিজ নেন ৩ উইকেট। সেটিই ধসের শুরু। মোস্তাফিজের সেই স্পেলটা অবশ্য কাটিয়ে দিয়েছিলেন দিমুথ করুনারত্নে। করেছেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। শেষদিকে তাকেই ফিরিয়েছেন ওই সাকিব।
দিন শেষে করুনারত্নে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন। অকপটে স্বীকার করেন, মোস্তাফিজকে সামলাতে পারেননি তারা।
মোস্তাফিজ-সাকিবের এমন যুগলবন্দীতে ঐতিহাসিক ম্যাচে স্মরণীয় জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। ২ উইকেট হাতে রেখে স্বাগতিকদের লিড ১৩৯ রানের।
করুনারত্নে বাদে সাকিব ফিরিয়েছেন নিরোশান ডিকেওয়াল্লা এবং আসিলা গুনারত্নেকে। সাকিবের লেগ স্টাম্পের ওপর পড়া বলটি প্যাডেল সুইপ করেছিলেন ডিকেওয়াল্লা (৭)। মুশফিক বুঝতে পেরে আগেই বলের লাইনে চলে যান। দক্ষতার সঙ্গে ক্যাচ নেন অধিনায়ক। আর আসিলা গুনারত্নেকে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলেন।
সাকিব ৩ উইকেট নিয়েছেন ৬১ রান খরচায়। আর ৫২ রানে ৩ উইকেট মোস্তাফিজের।
মোস্তাফিজ আগ্রাসনের শুরু করেন কুশল মেন্ডিসকে দিয়ে। দারুণ এক ডেলিভারিতে মেন্ডিসকে তুলে নিয়ে এনে দেন ব্রেক থ্রু। ৩৬ রান করে উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দেন মেন্ডিস। মুশফিক আর মোস্তাফিজের আবেদনে আম্পায়ার সুন্দরম অবশ্য সাড়া দেননি। মুশফিক রিভিউ নিয়ে ফেরান মেন্ডিসকে।
৫ ওভার পরেই আবার মোস্তাফিজের আঘাত। মেন্ডিসের মতোই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা দিনেশ চান্ডিমাল। ফিজের তৃতীয় শিকার সিলভা। তাকেও মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয়।







