বৈশাখ মানেই মনে ভেসে ওঠে বৈশাখী মেলার কথা। গ্রামে-গঞ্জে ও আজকাল শহরেও বৈশাখী মেলার আয়োজন চলে পুরো দমে। বৈশাখের সাথে যেমন বৈশাখী মেলার যোগ আছে, তেমনি মেলার সাথে ‘মেলায় যাইরে…’ গানেরও একটা বড় যোগসূত্র আছে। এই গান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্যকে। ১৯৯০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত এই গানের জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। এই গান রচনার প্রেক্ষাপট এবং নানাদিক নিয়ে কথা বলেছি এই গানের শিল্পী মাকসুদের সাথে।
আপনার গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘মেলায় যাইরে…’ নিয়ে কিছু বলেন।
‘মেলা’ শব্দটির সাথে বাঙালি সংস্কৃতির একটা বড় যোগসূত্র আছে। আর বাঙালি সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখে এই গানটি লিখেছি। আমি চেয়েছি এমন একটা গান লিখব, যা সব বয়সী, সকল বাঙ্গালির মনকে ছুঁয়ে যায়। পেরেছিও অনেকখানি।
এই গানটা তো একটা অনানুষ্ঠানিক থিম সং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিজের গাওয়া গান যখন এতটা জনপ্রিয় হয়, তখন অবশ্যই ভালো লাগে। আর জনপ্রিয়তা যখন দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকে, তখন ভালোলাগা আরও বেড়ে যায়।
গানটা যখন লেখেন তখন এমনটা হবে ভেবেছিলেন?
প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সাড়া পেয়েছি আমি। ভাবিনি গানটা এত জনপ্রিয় হবে।
গানটা লিখেছেন কবে?
গানটা লিখেছি অনেক সময় নিয়ে। লেখা শুরু করি ১৯৮৮ সাল থেকে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অংশ সংযোজন করেছি। আর গানটা গেয়েছি ১৯৯০ সালে।
গানটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ফিডব্যাক ব্যান্ডের সবাই এক হয়েছিলেন। এ বছর তেমন কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা?
গত বছর আমরা সবাই এক হলেও, আসলে এ বছর তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই।
গত বছর তো ‘মেলা’ গানে নতুন করে মিউজিক সংযোজন করেছিলেন। এ বছর তেমন কোনো সম্ভাবনা আছে?
না। এ বছর এই গানে কোন নতুনত্ব থাকছে না।
কিছুদিন আগে গানটির সত্ত্ব নিয়ে যে ঝামেলা হয়েছিল, সে ব্যাপারে কিছু বলবেন?
হ্যাঁ, গানটির সত্ত্ব নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। তবে এখন আমরা এ ব্যাপারে পুরোপুরি নয়, কিছুটা ঝামেলা মুক্ত হয়েছি।
এবার পহেলা বৈশাখে গানটি কোথাও গাইবেন?
গাইব। সকালে কলাবাগানে কনসার্ট আছে, সেখানে গাইব।
এবার বৈশাখে আপনার নতুন কোন গান আসছে?
এবার বৈশাখে আমার নতুন কোনো গান আসছে না। মেলা গানটা গাইব, তারই রিহার্সাল নিয়ে ব্যস্ত আছি।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ এবং বৈশাখের শুভেচ্ছা।
মাকসুদের গাওয়া ফিডব্যাকের গান ‘মেলায় যাইরে…’ :








