মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নানা কর্মকাণ্ড

বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যে প্রাকৃতিক বনভূমিগুলোকে রক্ষিত বনাঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান তাদের মধ্যে অন্যতম। এই উদ্যানে দর্শনার্থীদের চিত্ত বিনোদনের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও নানা ধরনের কর্মকান্ড চলছে।
অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বন মেধাকচ্ছপিয়া। এ বনভূমিকে ২০০৪ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। পাহাড়ি এলাকার এই সংরক্ষিত বনভূমির আয়তন প্রায় ৪০০ হেক্টর। মূলত গর্জন গাছের জন্য বিখ্যাত হলেও, গর্জনের পাশাপাশি এই বনে তেলসুর, বৈলাম, গামার, ও চাপালিশ গাছও রয়েছে।
এখানকার উদ্ভিদরাজির কারনে টিকে আছে নানা রকম বন্যপ্রাণী। কীটপতঙ্গ ও প্রজাপতিসহ এখানে বিচরণ করে উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বিভিন্ন প্রজাতি।
পাশাপাশি এখানে টিকে আছে বেশকিছু বিপন্ন প্রাণী। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ বিরুপ কর্মকাণ্ডে দিনদিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উদ্যানের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এছাড়া অধিকমাত্রায় বনজসম্পদ আহরণ ও বনভূমি উজাড় করার ফলেও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও প্রজননভূমি কমে যাচ্ছে।
এছাড়া পর্যটকদের অসচেতন কর্মকান্ডের কারণে ব্যাহত হচ্ছে উদ্যানের স্বাভাবিক পরিবেশ। ফলে উদ্যানের বেশকিছু প্রাণী এখন বিপন্ন। তাই এই উদ্যানের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রয়োজন কর্যকরী ব্যবস্থাপনা।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:




