ভারতের দিল্লীর বুরারিতে একই পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হতবিহ্বল তাদের পরিবারও। নিহত ১১ জনের একজনের এই বছরের শেষের দিকে বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। মৃত্যুর আগের রাতে অন্যান্য ভাইবোনদের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেছিলো সে।
পরিবারের গ্রুপ ফটো, সেলফি, ছুটি কাটানোর ছবি ও উদযাপনের ছবি দেখে তাদের আর দশটা পরিবারের মতোই মনে হবে। ৭৭ বছর বয়সী নারায়ণ দেবির সঙ্গে মৃতদেহ পাওয়া যায় ঐ পরিবারের আরো ১০ জনের। তার মেয়ে প্রতিভা (৫৭), দুই ছেলে ভবনেশ (৫০) ও ললিত ভাটিয়া(৪৫)। ভবনেশের স্ত্রী সবিতা (৪৮)। তাদের তিন সন্তান মিনু (২৩), নিধি (২৫) ও ধ্রুব (১৫)। ললিতের স্ত্রী টিনা (৪২) এবং ১৫ বছরের ছেলে শিভাম। প্রতিভার মেয়ে প্রিয়াংকা (৩৩)।
প্রিয়াংকা নয়দাতে একটি আইটি কোম্পানিতে কাজ করতো। সামনেই তার বিয়ে। শনিবার রাতে কেতন নেগপালের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে তার কথা হয়। কেতন জানান, সেসময়ও তাকে মোটেও হতাশ শোনাচ্ছিলো না বা আত্মহত্যা করতে পারে এমন মনে হচ্ছিলো না।
ওই বাড়িটি থেকে পুলিশ কিছু হ্যান্ডনোট উদ্ধার করেছে। পুলিশের সন্দেহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কিছু ধর্মীয় সংযোগ থাকতে পারে। পুরো পরিবার কিছু ধর্মীয় আচার ব্যবহার পালন করতো।
উত্তর দিল্লীর বুরারিতে একই পরিবারের ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় রোববার। নিহতদের দশজনের মরদেহ লোহার গ্রিলের সিলিংয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং একজন বয়স্ক নারীর মরদেহ মেঝেতে পাওয়া যায়। নিহতদের প্রত্যেকের হাত পেছনে এবং চোখ বাঁধা ছিলো।








