ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থপনা মন্ত্রী মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়ার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ। রিট আবেদনের মায়া ছাড়াও বিবাদী করা হয়েছে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনাকে।
গত ৩০ জুন মায়াকে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ। নোটিশে তিনি জানতে চান, দুর্নীতির মামলা থেকে খালাসের রায় সর্বোচ্চ আদালতে বাতিল হওয়ার পর কোন কর্তৃত্ববলে মায়া এখনো মন্ত্রী ও সাংসদ পদে রয়েছেন।
এর আগে গত ১৪ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর মামলায় সাজার বিরুদ্ধে মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়ার আপিলের নতুন করে শুনানির আদেশ দেন আপিল বিভাগ।
আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর দুদকের আইনজীবী জানান, এর ফলে সংবিধান অনুযায়ী মায়ার জাতীয় সংসদ সদস্য থাকা উচিত নয়। মন্ত্রী থাকার বিষয়েও সংসদে আলোচনা হওয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি।
তবে আপিল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় মায়ায় মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য থাকায় আইনী বাধা নেই বলে দাবি করেন তার আইনজীবী।
দুদকের করা মামলায় ২০০৭ সালে বিশেষ জজ আদালত ৫ মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়াকে আইনের একটি ধারায় ৩ বছর এবং অন্য ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।
এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আসামিকে খালাস দিয়ে ২০১০ সালে হাইকোর্ট রায় দিলে এর বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।
আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে মায়ার করা আপিল নতুন করে শুনানি করতে বলেন। এর পরই মায়ার মন্ত্রী পদে থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।






