কলকাতার তারকা অভিনেতা জিৎকে প্রশ্ন করা হয়েছিল বাংলাদেশের ছবি দেখেন কিনা! এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব ছবি দেখা হয়না। তবে কিছু কিছু ছবি দেখেছি।
জিৎ বলেন, যেসব ছবি দেখেছি নাম মনে পড়ছে না। তবে এই মুহুর্তে মনে পড়ছে মান্না অভিনীত ও কাজী হায়াৎ পরিচালিত ছবি আম্মাজানের কথা। ছবিটি দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ ছবির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আর এখানেই জিৎ একথা বলেন।
জিতের সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। এই জুটির তৃতীয় ছবি ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
এসময় জিৎ আরো বলেন, এর আগে বাংলাদেশে আমার অভিনীত বাদশা ও বস-২ ছবি মুক্তি পেয়েছে। আগামি শুক্রবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে ইন্সপেক্টর নটি কে। আগে দুই ছবি থেকে এই ছবিটি একেবারেই আলাদা।
জিৎ বলেন, বন্ধু, পরিবারের সদস্য, ভাই, বোন সবাইকে নিয়ে মজা করে সিনেমা হলে গিয়ে দেখার মত ছবি ইন্সপেক্টর নটি কে। তিনি বলেন, আমার এতদিনের ক্যারিয়ারে যতগুলো ছবি করেছি প্রতিটি ছবির জন্য ডাবিংয়ে সময় দিতাম সর্বোচ্চ ৩-৪ দিন। কিন্তু ইন্সপেক্টর নটি কে ছবির জন্য ৭ দিন ডাবিং করতে হয়েছে।
সবশেষে জিৎ বলেন, বিনোদনের জন্য একটি সিনেমায় যেসব জিনিস থাকা প্রয়োজন সবকিছুই রয়েছে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ ছবিতে। অবশ্যই হলে গিয়ে ছবিটি এনজয় করার জন্য আমি অনুরোধ করছি।
‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ পরিচালনা করেছেন কলকাতার নির্মাতা অশোক পাতি। ছবিটি প্রথমে বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিতস ফিল্মস ওয়ার্কসের মাধ্যমে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু বাংলাদেশে যৌথ প্রযোজনার নীতিমালায় জটিলতা থাকায় পরে এককভাবে জিৎ নিজেই প্রযোজনা করে। আগামি শুক্রবার সাফটা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ মুক্তি দিচ্ছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আবদুল আজিজ সংবাদ সম্মেলনে জানান, বৃহস্পতিবার ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ সেন্সরে জমা পড়বে। এরপর সনদ নিয়ে শুক্রবার সারাদেশে মুক্তি দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গেল ১৯ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে ১৫৫ টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়ে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’। জিৎ-ফারিয়া ছাড়াও অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের চম্পা। এই ছবির সিংহভাগ শুটিং হয়েছে ইতালিতে।
ছবি: সাকিব উল ইসলাম








