মাদক বিরোধী অভিযানের ব্যাপারে কয়েকদিন আগে নিজেদের পরিকল্পনার জানিয়েছিলো ইন্দোনেশিয়া সরকার। সেখানে বলা হয়েছিলো মাদককাণ্ডে মৃত্যুদণ্ড পাওয়াদের কারাগার পাহারায় থাকবে কুমির।
তখন এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই কৌতুক বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল ন্যাক্রোটিস এজেন্সির প্রধান বুদি ওয়াসিসো বলেছেন, শুধু কুমির না, এই কাজে বাঘ ও ধারালো দাঁতের মাংসাসী পিরানহা মাছ ব্যবহারের কথা ভাবছে তারা।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এর (বাঘ, কুমির ও পিরানহা) ব্যবহারের সংখ্যা নির্ভর করছে কারাগারের আয়তনের ওপর এবং পিরানহাকে এর সঙ্গে একত্রিত করার সম্ভব কিনা তার ওপর।
কারাগার পাহাড়ায় বন্যপ্রাণী ব্যবহারের কারণ হিসেবে বুদি বলেন, ‘কারারক্ষীর সংখ্যায় ঘাটতি ঘাটতির কারণে আমরা বন্যপ্রাণী ব্যবহার করতে চাইছি।’
ইন্দোনেশিয়ার এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে এর কড়া সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এর ফলে কয়েদিদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে বলে জানিয়েছে তারা। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন বুদি।
দায়িত্ব নেয়ার পরই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টে জোকো উইদাদো। মাকদের কারণে প্রতিদিন ৪০ জন ইন্দোনেশিয়ান মারা যাচ্ছেন, এক গবেষণা এমন তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেশটির সরকার।







