চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে দুই ব্যক্তির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি তারা দু’জনেই মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে বগুড়ায় একজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আরেকজন শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।
বগুড়া
বগুড়া শহরের মালগ্রাম ছিলিমপুর নতুন রাস্তায় রেজাউল করিম ওরফে ডিপজল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে মালগ্রাম ছিলিমপুর নতুন পাইপাস এলাকায় গোলাগুলি হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশের কয়েকটি টহল টিম দ্রুত সেখানে যায়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার গান তিন রাউন্ড গুলি ও চারশত পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
নিহত রেজাউল করিম ডিপজলের বাড়ী শহরের মালগ্রাম উত্তর পাড়ায়। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদক অস্ত্র, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মোট দশটি মামলা রয়েছে। সে এলাকায় মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত ছিল।
শরীয়তপুর
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় গোয়েন্দা পুলিশের-ডিবি সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রুহুল আমিন বাঘা (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার নাগেরপাড়া এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত রুহুল বাঘা উপজেলার চর জুশিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ জানায়, ভদ্রচাপ গ্রামে মাদক বিক্রেতারা নিজেদের মধ্যে মাদকদ্রব্য ভাগাভাগি করছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশ সেখানে যৌথ অভিযানে যায়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা গুলি ও ককটেল ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। প্রায় ১০ মিনিট গুলি বিনিয়মের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালায়।
সেসময় মাদক বিক্রেতা রুহুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।








