মানুষের ভোটাধিকার হরণের পর বাকস্বাধীনতাও কেড়ে নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য
করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সাংবাদিক শফিক রেহমানকে ‘বানোয়াট’ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন তিনি।
গণমাধ্যমের পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন: অবৈধ সরকার জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। সাংবাদিকদের কন্ঠরোধ করতে তাদের ওপর চলছে দলন-পীড়ন। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সাজানো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেশের প্রতিথযশা সাংবাদিক ও সম্পাদকদেরও গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হচ্ছে।
‘অনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী এখন দেশের স্পষ্টভাষী ও সত্য উচ্চারণে অকুন্ঠ বিদ্যুষজনদেরকেও নির্মূলের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক সদস্যদের দিয়ে।’
তিনি বলেন, বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর অনাচার, ব্যর্থতা ও কূপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে অবিচল নির্ভয়ে লিখে যান বলেই শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি সরকারের চরম স্বেচ্ছাচারিতার বহি:প্রকাশ বলে দাবী তার।
খালেদা জিয়ার বিবৃতিতে বলেন, মামলা-হামলা-খুন-জখম-গুম-অপহরণসহ নানাবিধ বিভৎস অনাচার ঢাকতেই আপনারা শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করেছেন। এর প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে জনদৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা।
‘বাক, ব্যক্তি, লেখনি, ভাষণ, মূদ্রণের স্বাধীনতাসহ জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার’ আহ্বান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন করবেন না।
মেয়র মান্নানকে গ্রেফতারের নিন্দা
অন্য এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানকে গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, বর্তমান সরকার অনির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তাদের পছন্দ নয়। তাই সম্পূর্ণ রাজনেতিক প্রতিহিংসায় তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে।
‘একদলীয় শাসনকে দীর্ঘায়িত করতেই দীর্ঘ এক বছর কারাভোগের পর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা মেয়র মান্নানকে সাজানো মিথ্যা মামলায় আবারো গ্রেফতার করা হয়েছে,’ বলে দাবি করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন।








