নোয়াখালীর সেনবাগে ভিক্ষা করে সংসার চালান মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও অস্ত্র জমাদানের সার্টিফিকেট থাকার পরও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেননি তিনি।
দফায় দফায় ভিক্ষার টাকা সাবেক উপজেলা কমান্ডারের হাতে তুলে দিলেও এখনও মুক্তিযোদ্বার তালিকায় নাম না উঠায় ক্ষুব্ধ সহযোদ্ধারা।
১৯৭১ সালে তরুণ ছিলেন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার জামালপুরের শামসুল হক। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে শত্রুমুক্ত করতে অন্যাদের সাথে তিনিও ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন। যুদ্ধ করেন, সেনবাগ ও পাশ্ববর্তী সোনাইমুড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে।
স্বাধীনতার প্রায় ৫ দশক পরও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি শামসুল হক। সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও তার সহযোগীর হাতে ভিক্ষার ৮০ হাজার টাকা তুলে দেন নাম তালিকাভুক্তির জন্য।
অনেক মুক্তিযোদ্ধার দাবী, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছেন সাবেক উপজেলা কমান্ডার।
টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাবেক কমান্ডার।
বিস্তারিত দেখুন প্রতিবেদনে::








