গরুর প্রস্রাব জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের রাজস্থান রাজ্যের সরকার।সেই লক্ষ্যে একটি রিফাইনারি কেন্দ্র চালুর পর গরুর প্রস্রাব সংগ্রহও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
এই পাইলট প্রজেক্ট প্রাথমিকভাবে রাজস্থানের সবচেয়ে বড় স্বামী মান সিং হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ব্যবহার হবে।অন্য একটি তরল জীবাণু নাশক ব্যবহার করা হবে আরেকটি ওয়ার্ডে। পরে দুই ওয়ার্ডের পরীক্ষা করে সেটার তুলনা করবেন একদল ডাক্তার।
ঝালোর পাথমেরায় গরুর প্রস্রাব রিফাইনারি সেন্টার উদ্বোধন করে রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র রাঠোর বলেছেন, একমাসের জন্য একদল ডাক্তার নিয়োগ করা হবে। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবেন এই কাজে(জীবাণু নাশক হিসেবে) গরুর প্রস্রাব কাজ করে কিনা।
যোধপুরের আর্য়ুবেদিক বিশ্ববিদ্যালয়, ভেটেনারি ও প্রাণী বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়কেও এ বিষয় নিয়ে কাজ করতে বলেছেন মন্ত্রী রাজেন্দ্র রাঠোর। তবে গরু রক্ষা প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা নতুন কোনো কিছু না।
ভারতের পিনজারা পোল গোসালার তত্ত্বাবধায়ক দেবি সিং বলেন, গরুর প্রস্রাবের ঔষধি মান আছে।এটা দিয়ে কিডনির ওষুধ বানানো, এমনকি চোখের ড্রপ হিসেবে ব্যবহার হয়।
কিন্তু ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ যাই থাক, গরু বিষয়ে ভারতে রাজনৈতিক তকমা থেকেই যাচ্ছে।হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সংঘ (আরএসএস)’র সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য লাল চাঁদ বলেন, অবশেষে কেউ একজন আমাদের সমাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত গরু সম্পর্কে ভিন্নভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করলো।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী দল কংগ্রেস বলেছে, মৌলিক চিকিৎসার উপর বেশি মনোযোগ দেয়া উচিত সরকারের। দলের মুখপাত্র আর্চেনা শর্মা বলেন, গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।তবে মৌলিক বিষয়গুলোতেই বেশি মনোযোগ দেয়া উচিত।







