সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত থেকেই ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। শিরোপা মঞ্চে মুখোমুখি হবে ভারতের। গ্রুপপর্বেও দুদলের দেখা হয়েছিল, সেবার অবশ্য ১-১ গোলে ড্র হয়। ফাইনালে দুদলের ফলাফল থাকলে নিয়ম অনুযায়ী টাইব্রেকারে যাবে লড়াই। আর সেটা চাচ্ছেন না বাংলাদেশ কোচ মার্ক কক্স। তার লক্ষ্য, ৯০ মিনিটেই ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জেতা।
শুক্রবার মালদ্বীপের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় গড়াবে ফাইনাল। তার আগেরদিন বাফুফের পাঠানো ভিডিও বার্তায় এমন জানিয়েছেন কক্স।
বলেছেন, ‘আমরা ভারতের মতো একটি দুর্দান্ত দলের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছি, যারা খুব ভালো খেলছে। তাদের চমৎকার কোচ এবং কোচিং স্টাফ রয়েছে। তবে আমাদেরও কোচিং স্টাফ এবং খেলোয়াড়রা দারুণ। ভারত একটি বড় দল, তবে বাংলাদেশও তাই।’
‘দেখুন, একজন ইংলিশ হিসেবে পেনাল্টি থাকা টুর্নামেন্টে…আমি এটা থেকে দূরেই থাকতে চাই। যদি আপনারা দেখেন, ১৯৯০ বিশ্বকাপে, ১৯৯৬ ইউরোতে, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে…….. সবসময় ইংল্যান্ড হেরেছিল। এমন কিছু হলে আমি বাংলাদেশের কোচদের ওপর ছেড়ে দিব।’
‘৯০ মিনিটের মধ্যে জিততে চাই আমরা। খুবই শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে ভালো খেলতে চাই। ভারতও একটা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলবে। আমার মূল কৌশল একটাই এবং আমি মনে করি, সেটা আমাদের দলের জন্য ভালো এবং দলকে সাহায্য করবে।’-যোগ করেন তিনি।
খেলাধুলায় বাংলাদেশ-ভারত লড়াই মানেই বাড়তি উন্মাদনা। দুই দলের লড়াইয়ে চাপ থাকে উভয়েরই। বাংলাদেশ-ভারত আরেকটি দ্বৈরথ এখন মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। বাংলাদেশ-ভারত দ্বৈরথ নিয়ে কক্স বলেছেন, ‘আমার মনে হয় সবাই ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন। শুধু ১৯৪৭-৪৮ পরবর্তী ইতিহাসই নয়, বরং ফুটবল, ক্রিকেট, হকিসহ সব ধরনের খেলার ইতিহাস সম্পর্কেও। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ-ভারত এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে সবসময়ই একটা দ্বৈরথ থাকবে। ঠিক যেমন ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে। মানুষ সবসময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারাতে চায়।’








