বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না কোরবানির পশুর চামড়া। মধ্যস্বত্বভোগিরা অর্ধেক দামও দেয়নি বিক্রেতাদের। এছাড়াও আছে সেই পুরোনো অভিযোগ, পাড়ায় মহল্লায় জোর জবরদস্তি করে চামড়া নিয়ে গিয়ে কম দাম চাপিয়ে দেয়ার।
গতবছর ৬০ হাজার টাকা দামের বড় একটি গরুর চামড়া ২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এবছর সেই একই আকারের গরুর চামড়ার দাম কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করে ন্যায্য দাম না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
পাড়ায় মহল্লায় দলবেঁধে চামড়া বেচাকেনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে অনেক। চামড়ার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিভিন্ন এলাকায় মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে বিক্রেতারা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।
চামড়া কেনাবেচায় অনিয়ম বন্ধে কোনো কোনো এলাকায় বিশেষ উদ্যোগ দেখা গেছে। দাম কম থাকায় চামড়া পাচারের সম্ভাবনা রয়েছে দাবি করে পাচার বন্ধে বিশেষ উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন পাইকারি চামড়া ব্যবসায়ীরা।








