বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না বাড়ায় পার্বত্য অঞ্চলে বননির্ভরতা কমছে না। আছে মানুষ আর বন্য প্রাণির দ্বন্দ্বও। বনজীবীদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সচেতনতা বাড়িয়ে বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণি রক্ষায় সব মহলকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময়ে।
বান্দরবানের পাহাড়ি ঝরনার পাশে এ সুর বিনোদনের জন্য নয়, ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টায়। কারণ পাহাড়ি ফল বা খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করে পরিবারের খাদ্য যোগানো ছাড়া বিকল্প আয়ের তেমন ব্যবস্থা নেই পাহাড়ি জনপদে।
স্থানীয়রা জানান,তারা ঠিকভাবে পরিবার চালাতে পারেনা।
নানাভাবে বনের ওপরই নির্ভরশীল অসংখ্য পাহাড়ি-বাঙালি। মানুষের খাদ্য যোগানোর চেষ্টায় খাদ্য সংকটে ভুগছে বন্যপ্রাণিরা। মাঝে মাঝে বন্যহাতির পাল চলে আসে লোকালয়ে। প্রাণহানি ঘটলেও বনর্ভিরতা কমছে না বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না বাড়ায়। স্থানীয়রা আরো জানান তাদের এ অভয়ারণ্যের অবস্থা আর আগের মতো নেই।
এ অবস্থায় সব মহলে সচেতনতা বাড়িয়ে বন আর বন্যপ্রাণি রক্ষায় বান্দরবান-চট্টগ্রাম জেলার সীমান্তের ধোপাছড়ি দুধপুকুরিয়া বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্যের বনবিটে হয়েছে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময়।
বন রক্ষায় আশপাশের অধিবাসীদের পাশে চান বন কর্মকর্তারা। আর বনে প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানে দাবি বনজীবীদের।
চট্টগ্রামের পশ্চিম বনবিভাগীয় কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাস বলেন, বন ও বন্য প্রাণি সংরক্ষণের জন্য আমাদের জনবল অনেক কম।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বন্যপ্রাণি আর বনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু।
তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসম্য নষ্ট হয়ে গেলে আমরা এই পৃথিবীতে বাঁচতে পারবনা। এই বিষয়ে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করি তাহলে বন সংরক্ষণসহ আমাদের জীবিকা উপার্জন সম্ভব। মানেোষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশে আমরা বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছি। মানুষ সচেতন হলে আমরা বাংলাদেশের প্রকৃতিকে রক্ষা করতে পারব।
বন্যহাতির হামলায় নিহত পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেয় হয় অনুষ্ঠানে। মতবিনিময়ের পাশাপাশি বনসহ প্রকৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও বনজীবীদের উদ্বুদ্ধ করা হয়।তারা এক হয়ে শপথ দেন বন্য আর বন্যপ্রাণি রক্ষার।







