বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
সোমবার রাত সোয়া ৯টায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এই অভিযোগ করেন।
শামসুদ্দিন দিদার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, বিকেল ৩টা থেকেই গুলশান কার্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
‘‘এরপর থেকে লন্ডনে নির্বাসিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের স্কাইপে কথোপকথন বন্ধ হয়ে যায়।’’
নির্বাচনী কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে সরকারি নির্দেশে বিটিআরসি এমন কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রোববার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের অন্যন্যা সদস্যদের সঙ্গে লন্ডন থেকে একাধিক মামলায় দণ্ডিত দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার নেন।
এর বিরুদ্ধে বিকেলে কর্নেল (অব.) ফারুক খানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেন।
যদিও সোমবার ইসি সচিব বলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকারে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার নেই।
স্কাইপির সেবা বন্ধের অভিযোগ
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ইন্টারভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্কাইপির সেবা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একে ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই- এমন বক্তব্যের পরপরই স্কাইপি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে ইন্টারনেটভিত্তিক সকল যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে।
রিজভী আরো বলেন, আসলে সরকার বলপ্রয়োগ করেই ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছে। জনগণের সমর্থন নিয়ে নয়। আমি সরকারের এই ন্যাক্কারজনক সংকীর্ণ মানসিকতার ধিক্কার জানাই।







