জামায়াত আর মুসলিম লীগের সঙ্গে ঐক্য ছাড়া যেভাবে দেশ স্বাধীন হয়েছিল তেমন করে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য ছাড়াই জঙ্গিবাদ মোকাবিলার আহবান সম্মিলিত নাগরিক সমাজের। তবে জঙ্গি মোকাবেলায় গোয়েন্দা সংস্থাসহ পুলিশ বিভাগকে ভেজালমুক্ত করারও দাবি তাদের।
সাম্প্রতিক গুলশান ট্র্যাজেডি এবং শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে জঙ্গি হামলার কারণে জনজীবনে নানান হুমকি প্রতিহত করতে সমাজের নানা পেশাজীবী মানুষদের সঙ্গে নিয়ে ধর্মীয় সন্ত্রাস মোকাবিলায় সোচ্চার সম্মিলিত নাগরিক সমাজ।
ধর্মীয় মৌলবাদ প্রতিরোধে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রুখতে নানা পেশার মানুষের পরামর্শ নেন। আলোচনায় উঠে আসে নানা পরামর্শ। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন কাজী খলীকুজ্জামান, সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন,বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রমুখ।
বক্তাদের দাবি, যদি জামায়াত আর মুসলিম লীগের ঐক্যের অপেক্ষা করা হতো তাহলে কি মুক্তিযদ্ধ হতো? তাহলে আজ বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের অপেক্ষা কেন?
আগামী দিনে জঙ্গিবাদ প্রতিহত করাটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা-ই জঙ্গিবাদের মূল হোতা।
তাদের দাবি, তারা রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, কখনো হুমকি দিচ্ছে এবং অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। ফলে আমরা আপোষকামীতার বিষয় দেখছি বারে বারে। দেশের শিশুদের শিক্ষার গোড়াতেই গলদ রয়ে গেছে বলেও মনে করেন বক্তারা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর নজরদারীর মধ্যে এনে প্রতিটি সরকারী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বাধ্যতামুলক করার দাবিও জানান বক্তারা।








