আয়ের দিক দিয়ে অতীতের সব রেকর্ডকে এক এক করে ভেঙ্গে দিচ্ছে ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’। এমা ওয়াটসনের এ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে গত শুক্রবার। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৩৫ কোটি ডলার আয় করেছে।
ভাবতে পারেন! সপ্তাহ না যেতেই একটা ছবির পকেটে ঠিক কত ডলার ঢুকতে পারে? ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’ ছবির ক্ষেত্রে পরিমাণটা অস্বাভাবিকই লাগতে পারে অনেকটা! কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই ছবিটি ১৭ কোটি ডলার আয় করেছে।
বিল কনডন পরিচালিত ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’ এরই মধ্যে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলেছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয়ের দিক থেকে সর্বকালের দিক বিবেচনায় এই ছবির অবস্থান সপ্তম হলেও একটা দিক থেকে সবার উপরে। মোশন পিকচার অ্যাসশিয়েশন পিজি নামে ছবির যে রেটিং করে, সেই রেটিংভুক্ত ছবির অন্য সব ছবিকে ছাড়িয়ে গেছে ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’।
শুধু তাই না, ডিজনি ওয়াল্ডের জনপ্রিয় ছবিগুলোকে পেছনে ফেলেছে এই ছবিটি। ডিজনির বানানো ছবিগুলোর মধ্যে প্রথম সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবির রেকর্ডটাও এখন ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’–এর। আমেরিকা জয় তো হলো, এবার বিট্রিশ রাজত্ব দখলের পালা। যুক্তরাজ্যে ছবিটি আয় করেছে সাড়ে ১৮ কোটি পাউন্ড। সর্বকালের হিসেবে যার অবস্থান পঞ্চম।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, বিপুল পরিমাণ নারী দর্শকদেরও টানতে পেরেছে ছবিটি।
মুক্তির আগে থেকেই বেশ শোড়গোল বাঁধিয়ে ফেলেছিল ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’। শেষ পর্যন্ত ঠিক কোথায় গিয়ে থামে, সেটাই দেখার পালা! বিবিসি।








