এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে
জঙ্গি নেতা বুলবুল আহমেদ ফুয়াদ ওরফে আপেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার
সময় কারাগারে বন্দী ছিলেন বুলবুল। তবে পুলিশ বলছে, কারাগারে থাকলেও এসপির স্ত্রী হত্যায় তার ভূমিকা থাকতে পারে।
বাকলিয়া থানার গত বছরের এক হত্যা মামলায় গ্রেফতারের পর এক বছর ধরে কারাগারে আছেন জেএমবি সদস্য বুলবুল আহমেদ ফুয়াদ ওরফে আপেল।
পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই ইন্সপেক্টর শেখ এহতেশাম আদালতকে জানান, কর্ণফুলী নদীপাড়ের খোয়াদনগর এলাকা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেডসহ আটক ফুয়াদসহ ৫ জঙ্গি গ্রেফতারের অভিযানে নেতৃত্ব দেন তখনকার এডিশনাল এসপি বাবুল আক্তার।
এরপর বাবুল আক্তার ও তার পরিবারকে হুমকিপত্র পাঠানো হয়। এসব তথ্য বিবেচনায় আটক ফুয়াদকে মিতু হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সিএমএম আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।
সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, “মিতু হত্যা মামলায় জেএমবি’র জঙ্গি ফুয়াদ ওরফে আপেলকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছিল। আজকে তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তির দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭ দিনের পরিবর্তে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।”
নিহত মিতুর মোবাইল ফোন সেটটির হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। হত্যার কয়েক মিনিট পর ওই মোবাইল ফোনটির অবস্থান পাওয়া যায় তিন কিলোমিটার দূরে। সে সময় ওই ফোনে নিহতের স্বজনরা বার বার কল করলে তাদের সঙ্গে ওই প্রান্ত থেকে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলা হচ্ছিল।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর ফোনটি হত্যাকারীরা নিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যার ৮ দিনেও তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় মনিটরিং কমিটি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। বিশেষ অপরাধ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলামকে প্রধান করে ৭ সদস্যের তদন্ত সহায়ক ওই কমিটি সার্বক্ষণিক তদারকিসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।








