বাংলাদেশ সফরকালে দেয়া ভাষণে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে নরেন্দ্র মোদির মন্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেছে পাকিস্তান। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পাক-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘শিষ্টাচার বর্হিভূত’ বা ‘নুইসেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কাজী খলিলুল্লাহ।
গত ৭ জুনে দেয়া ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের দু’দিন পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর। পাকিস্তানের ওই বিবৃতির শিরোনামে বাংলাদেশকে ‘ইস্ট পাকিস্তান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ককে ভাতৃত্বসুলভ উল্লেখ করে পাকিস্তানি মুখপাত্র বলেন, ‘দুই ভাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টির ভারতীয় চেষ্টা সফল হবে না’। তবে তিনি এটাও বলেন যে, পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে এবং ভারতের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধ শেষে ৯০ হাজার পাকিস্তানি সেনার আত্মসর্ম্পণ, ভারতে পাকিস্তানের ‘সন্ত্রাসী’ তৎপরতা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। পাকিস্তানের নিষ্ঠুরতার তুলে ধরে মোদি বলেছিলেন, ‘ভারতের যদি উদার মনোভাব না থাকতো, তবে জানি না সেদিন আটক পাকিস্তানি সেনাদের কী হতো’।
পাকিস্তানের মুখপাত্র খলিলুল্লাহ দাবি করেন, মোদির এমন মন্তব্যই প্রতিবেশী একটি সার্বভৌম দেশ (পাকিস্তান) সম্পর্কে ভারতের নেতিবাচক মনোভাব স্পষ্ট করেছে।
একই সাথে এই মন্তব্যের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ‘ইস্ট পাকিস্তান’ ইস্যুতে ভারতের হস্তক্ষেপের বিষয়টি খোলাসা হয়েছে মন্তব্য করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন পাকিস্তানের মুখপাত্র।







