বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন পুঁতে রাখা হয় না বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে মিয়ানমারে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশের গডফাদারদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের সে দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত আছে।
রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সিনিয়র পর্যায়ের ৪ দিনের সীমান্ত সম্মেলনে উঠে আসে দু’দেশের সীমান্তে মাদক, অস্ত্র, নারী ও শিশু পাচার এবং সম্পর্ক উন্নয়নের নানা দিক।
শেষ দিনে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মিয়ানমার সীমান্তে কেউ মাইন পুঁতে রাখলে তা অপসারণ করা হবে। ইয়াবা পাচার রোধে দু’দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করবে বলেও জানান বৈঠকের মুখপাত্র।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে জানতে চাইলে কর্মকর্তারা জানান, এজেন্ডায় বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত ছিল না।
রাজধানীতে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের সে দেশে ফিরিয়ে দিতে সব ধরনের আলোচনা চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।








