প্রথম ৬ ওভারে তিন উইকেট তুলে রানের লাগাম টেনে ধরা গেলেও পাওয়ার-প্লে শেষ হওয়ার পর ভারত দেখাল অন্য রূপ। দিল্লিতে চার-ছয়ের বন্যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ সংগ্রহ দাঁড় করাল স্বাগতিকরা। টাইগারদের বিপক্ষে টিম ইন্ডিয়ার আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ১৯৬। সেটি ছাড়িয়ে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে তারা তুলেছে ৯ উইকেটে ২২১ রান।
৫ রানে জীবন পাওয়া নীতিশ কুমার ৩৪ বলে ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। তানজিম হাসান সাকিবের বলে উইকেটের পেছনে তার ক্যাচ ছাড়েন লিটন দাস। ১৯ রানে আরও একবার সুযোগ পান নীতিশ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে পরিষ্কার এলবিডব্লিউ হলেও দেননি ফিল্ড আম্পায়ার।
বাংলাদেশ রিভিউ নিলে ‘আম্পায়ার্স কল’ বিবেচনায় এ যাত্রায় বাঁচেন ভারতীয় ব্যাটার। তারপর আরও আগ্রাসন দেখান এ ব্যাটার। ৭টি ছক্কা, ৪টি চারে সাজান ইনিংস।
২৯ বলে ৫৩ রান করেন রিংকু সিং। হার্দিক পান্ডিয়ার ১৯ বলে ৩২ রানের ক্যামিওতে প্রথমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে দুইশর ঠিকানায় পৌঁছে ভারত। রিয়ান পরাগ ৬ বলে ১৫ রান করে সংগ্রহ আরও বড় করেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ স্কোর সাউথ আফ্রিকার। ২০১৭ সালে পচেফস্ট্রুমে ডেভিড মিলারের ৩৬ বলে সেঞ্চুরিতে ২২৪ রান করেছিল প্রোটিয়ারা। অল্পের জন্য ভারত সে রেকর্ড ভাঙতে পারেনি।
রিশাদ হোসেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট নিলেও রান দিয়েছেন ৪ ওভারে ৫৫। ইনিংসের শেষ ওভারে উইকেটগুলো পান এ লেগ স্পিনার। তাসকিন, তানজিম ও মোস্তাফিজ দুটি করে উইকেট নেন। পেসাররা ভালো করলেও স্পিনারদের বাজে সময় কেটেছে অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে।
পাওয়ার প্লে শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল মোটে ৪৫ রান। ষষ্ঠ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে সাজঘরে ফেরেন সূর্যকুমার যাদব। ১০ বলে ৮ রান করে ফেরেন ভারতীয় অধিনায়ক।








