ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জন না করে নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট।
সোমবার রাতে নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়া প্রশ্নে দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
তবে নির্বাচনে জনগণের আস্থা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জোট নেতারা।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জন করা না করার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
দলের পর জোটের শীর্ষ নেতাদের মতামত শোনেন এবং পর্যালোচনার পর নির্বাচন বর্জন না করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
জোটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দল ও জোটের অবস্থান সম্পর্কে গণমাধ্যমে জানান।
তিনি বলেন, আমরা এ নির্বচনে অংশ নিয়েছি। এর পরের নির্বাচনেও অংশ নিবো। সেই সাথে পরবর্তী ধাপগুলোতে আবার আমরা পর্যালোচনা করবো।
ফখরুল আরো বলেন, আমরা দেখতে চাই যে, নির্বাচন কমিশন কতোটা খারাপ হতে পারে, কতোটা অযোগ্য হতে পারে এবং তারা রাষ্ট্রের সাথে এবং জনগণের সাখে কতটা প্রতারণা করতে পারে।
এদিন ২০দলীয় জোটের অন্য শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নিলেও সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকে দেখা যায়নি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যদিও জানি এ নির্বাচন একটা প্রহসনে পরিণত হয়েছে। এ বিশ্বাস আমাদের দৃঢ় হয়েছে যে, বর্তমান সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোন নির্বাচনই সুষ্ঠু হবে না।
‘তবুও আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগে বলেছিলাম, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।’
বর্তমান রাজনৈতিক সংকট দৃর করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প নেই বলেও মনে করেন ফখরুল।








