এই ম্যাচ জিতলেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে টপকে দু’নম্বরে ওঠার হাতছানি। সেই উৎসাহেই মাদ্রিদ ডার্বি শুরু করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের ১৬ মিনিটেই প্রথম গোল কাসেমিরোর। ২৫ মিনিটে অ্যান্থনিও গ্রিজম্যান গোল শোধ করেন। বিরতির ঠিক আগে সার্জিও রামোস পেনাল্টি থেকে ২-১ করেন। ৭৪ মিনিটে তৃতীয় গোল গ্যারেথ বেলের।
প্রথম সাক্ষাতেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে টেক্কা দিলেন সোলারি। মাদ্রিদের দুই টিমের দুই আর্জেন্টাইন ম্যানেজারের বন্ধুত্ব দীর্ঘ দিনের। সান লোরেঞ্জোতে খেলার সময় থেকে। কিছু দিন আগে যখন মাদ্রিদে থাকতেন দু’জনেই, তখন প্রতি সপ্তাহে ডিনারে যেতেন একসঙ্গে। আলোচনা চলত ফুটবল নিয়ে। কখনো সেই ডিনার হত মাদ্রিদ সেন্ট্রালে, কখনো অ্যাটলেটিকোর ট্রেনিং গ্রাউন্ডের কাছেই কোনও রেস্তোরায়।
সোলারি যখন নভেম্বরে রিয়াল মাদ্রিদে কোচ হন, তখন সিমিওনেই ফাঁস করেছিলেন তাদের বন্ধুত্বের কথা। শনিবার সেই বন্ধুর বিরুদ্ধেই সোলারির দল ছিল দারুণ ছন্দে।
বিরতির পর ম্যাচ শুরু হতেই অ্যাটলেটিকোর হয়ে গোল করেছিলেন আলভারো মোরাতা। সদ্য চেলসি থেকে অ্যাটলেটিতে আসা মোরাতা সেলিব্রেট করতে শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু রেফারি ভিডিও রিভিউয়ের সাহায্যে সেই গোল বাতিল করেন অফসাইডের জন্য।
চাপের মধ্যেই ৭৪ মিনিটে তৃতীয় গোল করে বসে রিয়াল। দুরহ কোন থেকে বাঁ-পায়ের আড়াআড়ি শটে বল জালে জড়ান ভিনিসিয়াস জুনিয়রের বদলি হিসেবে নামা গ্যারেথ বেল। বাকি সময়ে আর কোনও গোল না হওয়ায় ৩-১ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।
এই জয়ে ২৩ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রিয়াল। সমানসংখ্যক ম্যাচে এক পয়েন্ট কম নিয়ে তিনে অ্যাটলেটিকো। এক নম্বরে যথারীতি বার্সেলোনাই। এক ম্যাচ কম খেলেও মেসিদের পয়েন্ট ৫০।









