বনানীর হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিত তিন তরুণী ও এক যুবককে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেবে পুলিশ। কেননা ঘটনার সময় মামলার বাদীর সঙ্গে তারা সেখানে উপস্থিত থাকায় তারা ওই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।
আদালতের নির্দেশে তাদের নিরাপত্তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন চ্যানেল আই অনলাইনকে এসব কথা জানিয়েছেন।
ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, নির্যাতিত তরুণীর ছবি ও তাদের স্বীকারোক্তি থেকে পাওয়া ঘটনার বিবরণ ভিডিও এবং ষ্টিল আকারে যারা বিভিন্ন মাধ্যমে জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে তাদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্ততি চলছে।
রিমান্ড শেষে সাফাতের দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। কাল রোববার দুপুরের দিকে সাফাতের ড্রাইভার বিল্লালকে আদালতে হাজির করা হবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন আদালতে স্বীকারোক্তি দিতে পারেন বিল্লাল।
এছাড়া রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ধর্ষণ ঘটনার অন্যতম আসামী নাঈম আশরাফের। সে জিজ্ঞাসায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে গোয়েন্দারা দাবি করেছেন।
এর আগে ১৪ই মে বনানীর একজন ভিকটিমের বাসায় ডিবি পরিচয়ে দুইজন অস্ত্রধারী জোর করে ঢুকতে চায়, পরে তারা দারোয়ানকে মারধর করে পালিয়ে যায়।
গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় দুই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে। পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে না চাইলেও পরে ৬ মে মামলা গ্রহণ করে। এরপর বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা দেশ। ধর্ষকদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতি ও কর্মসূচি পালন করা হয়।
পরে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিবকে ১১ মে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া নয়টায় সিলেটের জালালালাবাদ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।








