চলমান সংকটের মধ্যে সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যে ফোনালাপের বিষয়ে কাতারের গণমাধ্যমে ভুল খবর প্রকাশ করায় কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সংলাপ স্থগিত করেছে সৌদি আরব।
শুক্রবার কাতারের আমির সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। চার আরব দেশের পক্ষ থেকে দোহা’র সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপরই চলমান সংকটের সমাধান আসবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন।
সৌদির নিউজ এজেন্সি স্পা তাদের প্রকাশিত এক খবরে জানায়, রিয়াদ দোহার সঙ্গে সব ধরনের সংলাপ ও সংযোগ স্থগিত করেছে। এজন্য কাতার নিউজ এজেন্সিকে ফোনালাপের প্রকৃত ঘটনা বিকৃত করার জন্য দায়ী করা হয়। কাতার তাদের অবস্থান পরিস্কার করে জনসম্মুখে বিবৃতি না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ চলবে বলেও ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়।
এর আগে কাতারের সংবাদ সংস্থা জানায়, সৌদি যুবরাজ প্রস্তাব করেছেন, দু’জন দূত নিয়োগ করা হোক- যারা কোন দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ না করে বিতর্কিত ইস্যুগুলোর মীমাংসা করবেন। গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের নেতারাও সমস্যা সমাধানে উদ্বিগ্ন।
এজেন্সির রিপোর্টে আরো বলা হয়, এই ফোনালাপটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগিতায় করা হয়।
সন্ত্রাসবাদে সমর্থন জোগানোর অভিযোগ এনে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর- এই চারটি দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, যদিও এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে কাতার।
এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৫ জুন চারটি আরব দেশ কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা কাতারের সঙ্গে স্থল সীমান্ত এবং বিমান ও সমুদ্র যোগাযোগও বন্ধ করে দেয়।
সৌদি আরবসহ চারটি দেশ কাতারের কাছে যেসব শর্ত দেয়- তার মধ্যে রয়েছে আল-জাজিরা টিভি বন্ধ করা এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা।








