ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলের জনবহুল লুজন দ্বীপে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মাংখুতের আঘাতে এ পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছে সরকার।
টাইফুন মাংখুতের প্রভাবে আকস্মিক বন্যা ও শনিবার পর্যন্ত ৪২টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চাগায়ান প্রদেশে। কৃষিপ্রধান এই প্রদেশটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আকস্মিক বন্যায় বাগুইও শহরেও ভেঙ্গে পড়েছে ব্যবস্থা যোগাযোগ। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
তবে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়াসহ অন্যান যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় গ্রামাঞ্চলগুলোতে ঝড়ের ধ্বংসলীলার প্রকৃত অবস্থা এখনো পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ফিলিপাইন সরকার। প্রাণহানিসহ ক্ষয়ক্ষতির যতটা সম্ভব তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
ফিলিপিন্সে সুপার টাইফুনের তাণ্ডবের পর এটি চীনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থা জারি করা হয়েছে গুয়াংডং প্রদেশে। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে স্থানীয় লোকজনকে।
এর আগে ২০১৩ সালে ফিলিপিন্সে আঘাত হেনেছিল সুপার টাইফুন হাইয়ান, তখনও ৪ নম্বর সর্তক সংকেত দেখানো হয়েছিল। সেই ঝড়ে প্রাণ হারিয়েছিল ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কয়েক লাখ।








