টপ অর্ডারের ব্যর্থতা, মিডলের লড়াই এবং শেষে মৃত্যুঞ্জয়ের ক্যামিও— ফাইনালে অঙ্ক মেলানোর ম্যাচে সব মিলিয়ে বড় সংগ্রহ পেল না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সদের বিপক্ষে এক ওভার থাকতেই গুটিয়ে গেল আফিফ হোসেনের দল।
মিরপুর শের-ই-বাংলায় দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ের ম্যাচে ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছে বন্দর নগরীর দলটি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মইন আলী ও শহিদুল ইসলামের বোলিং তোপে পড়ে দলটি।
টস জিতে এদিন শুরুটা ভালোই করেছিল দুই ওপেনার উইল জ্যাক ও জাকির হাসান। ৩.৪ ওভারেই দুজন তুলে ফেলেছিল ৩১ রান। চট্টগ্রামের দারুণ শুরুর দিনে প্রথম আঘাতটা হানেন শহিদুল ইসলাম। ইমরুলের ক্যাচ বানিয়ে জ্যাককে (২০ রান) ফেরান কুমিল্লার পেসার। পরে চ্যাডিউইক ওয়ালটন ফিরেন চট্টগ্রাম সমর্থকদের হতাশ করে।
৩১ রানে এক উইকেট হারানো দল পরের ২০ রান তুলতে হারায় আরও চার ব্যাটারকে। ব্যর্থ হন অধিনায়ক আফিফ, শামিম ও হাওয়েল।
একপাশে আসা-যাওয়ার দিনে ৩৮ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে রানের চাকা সচল রাখেন মেহেদি হাসান মিরাজ। সাবেক অধিনায়ক হাকান তিনটি চার ও দুটি ছক্কার মার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক আকবর আলী খেলেন ২০ বলে ৩৩ রানের ক্যামিও।
নিচের দিকে বড় স্কোর গড়তে দলকে সাহায্য করা বেনি হাওয়েল ফিরেন দূর্ভাগ্যজনক রানআউটের ফাঁদে। শেষের দিকটায় ৯ বলে দুই ছক্কায় ১৫ রানের ইনিংসে দেড়শ ছুঁইছুঁই স্কোর গড়েন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি।
চট্টগ্রামকে অল আউট করার দিনে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মইন আলী ও শহিদুল ইসলাম। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও আবু হায়দার।








